গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুর গাংনী থানার ওসি ও সাহারবাটি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের পদক্ষেপে দুটি চোরাই গরু উদ্ধার হয়েছে। দুটি চোরাই গরুসহ গ্রেফতার হয়েছে অভিযুক্ত চোর জিয়াউর রহমান জিয়া (৩০)। গত রোববার রাত দেড়টার দিকে ধর্মচাকী গ্রামে ওই অভিযান চালায় পুলিশ। গ্রেফতার জিয়া ধর্মচাকী গ্রামের মৃত মফেজ উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউপি নির্বাচনের কয়েক দিন আগে সাহারবাটি ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের এক ভিক্ষুক নারীর একটি গরু ও চারদিন আগে সাহারবাটি গ্রামের কৃষক মোশারফ হোসেনের নিজ বাড়ি থেকে একটি এড়ে গরু চুরি হয়। গরু দুটির আনুমানিক মূল্য লক্ষাধিক টাকা। চুরির পর গরু মালিক ও সাহারবাটি ইউপি নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক গরু উদ্ধারে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছিলেন। এক পর্যায়ে সাহারবাটি গ্রামের চিহ্নিত চোর আইচ উদ্দীনকে গরু চুরির ব্যাপারে শনাক্ত করেন তারা। বিষয়টি গাংনী থানার ওসিকে অবহিত করলে তিনি আইচসহ তার চোর গ্রুপের সদস্যদের গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করেন। এতে আত্মগোপন করেন আইচ উদ্দীন। পরে রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোলাম ফারুক তার লোকজনসহ পুলিশের সহায়তায় ধর্মচাকী গ্রামে জিয়ার বাড়িতে অবস্থান নেন। এ সময় ওই দুটি গরুসহ জিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে গোলাম ফারুক বলেন, আইচ উদ্দীনের অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তার দুলাভাই ধর্মচাকী গ্রামের বাসিন্দা। অভিযানের সময় আইচের দুলাভাই পালিয়ে গেলেও তার ভাই জিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই রাতেই স্ব স্ব মালিকের কাছে গরু দুটি হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
আইচ উদ্দীন ও তার ভগ্নিপতিসহ গরুচোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান, গাংনী থানার ওসি আকরাম হোসেন। জিয়ার নামে মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চোরচক্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিয়ার রিমান্ড আবেদন করা হবে। এদিকে শেষ সম্বল হারিয়ে পাগল প্রায় ওই ভিক্ষুকের পরিবারে গরু ফিরে পেয়ে আনন্দের শেষ নেই।