মাথাভাঙ্গা মনিটর: ভারতকে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর পর বাংলাদেশের ক্রিকেট আঙিনায় আরেকটি প্রত্যাশা ডালপালা মেলতে শুরু করেছে এখনই। ৱ্যাঙ্কিঙের দু নম্বর দলকে যদি সিরিজ হারানো যায়, তাহলে তো দক্ষিণ আফ্রিকাকেও কেন নয়। তবে প্রত্যাশার বেলুন ফোলানোর আগে মাশরাফি মুর্তজার কথাও শোনা যাক। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলছেন, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো ভারতের চেয়ে কঠিন হবে। ৱ্যাঙ্কিঙে ভারতের চেয়ে পেছনে দক্ষিণ আফ্রিকা। উপমহাদেশের উইকেট-কন্ডিশনে অভ্যস্ততা কম। ভালো মানের স্পিনে বরাবরই দুর্বল বলে মনে করা হয় প্রোটিয়াদের। বাংলাদেশে এসে এ প্রচণ্ড গরমেও মানিয়ে নিতে হবে। তারপরও মাশরাফির ধারণা, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো ভারতকে হারানোর চেয়েও কঠিন হবে।
ভারতের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ দল। ভারতের ব্যাটিং অনেক বেশি শক্তিশালী, বোলিং ততোটা নয়। সিরিজেই আগেই আমি বলেছিলাম, আমাদের বোলাররা ভারতের ব্যাটসম্যানদের আটকে রাখতে পারলে আমরা সিরিজ জিতবো। সেটাই হয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারালে সব বিভাগেই ভালো করতে হবে। কারণ ওদের কোনো দুর্বলতা নেই। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং ভারতের তুলনায় অনেক ভালো। ব্যাটিঙে তুলনায় ভারতের বোলিং অতটা ভালো নয়, সবাই জানে। ভারত ২৭০ রান করলে আমরা জেতার আশা করতে পারি। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৭০ রান তাড়া করে জেতা অনেক বেশি কঠিন হবে। ওয়ানডেতে স্টেইন খেলবে না, তারপরও পেস আক্রমণ অনেক শক্তিশালী। স্পিনে এখন ইমরান তাহির আছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংও সমীহ জাগানিয়া, বললেন মাশরাফি। ব্যাটিং অর্ডার অনুযায়ী যদি নামগুলো বলতে থাকেন- ডি কক-আমলা-ডু প্লেসি-ডি ভিলিয়ার্স-ডুমিনি-মিলার-রুশো…সবকটাই ম্যাচ উইনার। ডি ভিলিয়ার্সের কথা ধরুন, ওর মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান কিন্তু ভারতের ব্যাটিং লাইন আপেও নেই। একাই ম্যাচ শেষ করে দিতে পারে। তাই বলে মাঠে নামার আগেই হার মেনে নিচ্ছেন না অধিনায়ক।