সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়লো খুন আতঙ্ক : খুললো না জট

2nd4 copyআলডাঙ্গার খাসকররা সরকারি প্রাথমিক দুটি বিদ্যালয়ের বারান্দায় জমাট বাধা রক্ত

 

খাসকররা থেকে ফিরে আলম আশরাফ: আলমডাঙ্গার খাসকররায় দুটি প্রাইমারি স্কুলভবনের বারান্দায় ছোপ ছোপ রক্ত দেখে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিশ্চয় কাউকে এখানে খুন করে আশপাশ এলাকায় হয়তো লাশ ফেলে রেখে গেছে। নানা গুঞ্জন আর আতঙ্কে মানুষের মধ্যে কৌতুহল জাগে আসলে কী হয়েছে। সকাল ন’টার দিকে ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখতে পায় বারান্দায় জমাট বাধা রক্ত পড়ে আছে। তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ি পড়ে। বাজার গিয়ে তারা বলে স্কুলে খুন হয়েছে, অনেক রক্ত পড়ে আছে। এ খবর পেয়ে খাসকররা বাজার কমিটর সভাপতি মিজানুর রহমানসহ বাজারের লোকজন ছুটে আসেন বিদ্যালয়ে। দেখতে পান তাজা রক্ত পড়ে আছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর অভিবাকগণ তাদের সন্তানদের বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরিয়ে নেয়। স্কুলের শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে এসে দেখে বারান্দায় রক্ত পজড় আছে, কোনো শিক্ষার্থী নেই। সকলের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে দেখা যায় অপর প্রান্তে প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বারান্দায়ও জমাট বাধা রক্ত। ফোটা ফোটা রক্ত ছিটিয়ে রয়েছে। এ খবর এলাকাবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে। এলাকায় ছড়ায় স্কুলে খুন হয়েছে। সচেতন ব্যক্তিগণ অনুসন্ধান করতে থাকে কোথা খেকে এলো এ  রক্ত। অনেকে মাঠে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করে কোনো লাশ পাওয়া যায় কি-না। শেষ পর্যন্ত কোনো আলামত উদ্ধার করতে পারেনি তারা। খবর পেয়ে স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারাও কোনো মন্তব্য করতে পারেনি। বিদ্যালয় মাঠেই বসেছে ইউনিলিভার কোম্পানির আনন্দ মেলা। মেলা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আমরা রাত আটটার মধ্যে মেলা চালায়। পরে সবাই চুয়াডাঙ্গা শহরের একটি আবাসিক হোটেলে রাতযাপন করি।

খাসকররা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে বলেন, বিকেল চারটায় বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে বাড়ি চলে যায়। সকালে বিদ্যালয়ে এসে দেখি শিক্ষার্থীরা নেই। বারান্দায় রক্ত পড়ে আছে। রক্ত দেখে শিক্ষার্থীরা ভয়ে বাড়ি চলে যায়। পরে আমরা তাদেরকে বাড়ি থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসি। বিদ্যালয়ে ক্লাস করছি। এলাকায় রক্তের ছোপ ছোপ দাগ নিয়ে মানুষের মনে যেমনি আতঙ্ক বিরাজ করছে তেমনি বিষয়টি রহস্যাবৃত বলে সচেতনমহল মনে করছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *