দেশ বিদেশের টুকরো খবর : ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩০ সেপ্টেম্বর

৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩০ সেপ্টেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। এই বিসিএসের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে ১ হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এ হিসেবে ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে প্রতি ক্যাডার পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থী ১৯৮ দশমিক ৫৯ জন। যা যেকোনো বিসিএস পরীক্ষায় প্রতি পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী। পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুরের ১৯০টি কেন্দ্রে একযোগে ৩৭তম বিসিএসের দুই ঘণ্টার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার আগে সকাল ৯টায় পিএসসির কার্যালয়ে লটারি এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রশ্নের সেট নির্ধারণ করা হবে। এর আগে ৩৬তম বিসিএসে দুই হাজার ১৮০টি পদের বিপরীতে ২ লাখ ১১ হাজার ৩২৬, ৩৫তম বিসিএসে এক হাজার ৮০৩টি পদের বিপরীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ এবং ৩৪তম বিসিএসে দুই হাজার ৫২টি পদের জন্য ২ লাখ ২১ হাজার ৫৭৫ জন প্রিলিমিনারিতে অংশ নেন। পদ ও আবেদনকারীর সংখ্যানুযায়ী ৩৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে প্রতি পদের বিপরীতে ৯৭ জন, ৩৫তম প্রিলিমিনারিতে ১৩৫ জন এবং ৩৪তম প্রিলিমিনারিতে ১০৮ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে একটি পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৯৯ জন প্রার্থী ২০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতির পরীক্ষায় বসতে যাচ্ছেন। প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে ১ হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিসিএসে অংশ নিতে গত ৩১ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করেন। গত ৯ আগস্ট ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ এবং ২১ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার আসন বিন্যাস ও নির্দেশাবলী প্রকাশ করে পিএসসি।

 

বাসের সব যাত্রীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতি

স্টাফ রিপোর্টার: সাভারে একটি বাড়িতে ও একটি যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের একটি যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে ডাকাতরা ওই বাসের সব যাত্রীর হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাসচালক, সুপারভাইজার ও সহকারী আহত হয়েছেন। বাস যাত্রীরা জানান, রাতে বেনাপোল থেকে ঢাকার মতিঝিলে আসার জন্য ঈগল পরিবহন নামের (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৬৫৮১) বাসে ওঠেন তারা। পরে বাসটি যশোর পৌঁছুলে ঈগল কাউন্টার থেকে সাতজন যাত্রীবেশী ডাকাত ওঠেন। তারা সারারাত বাসের সব যাত্রীকে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন লুট করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাস থামিয়ে নেমে যায়। এ সময় বাধা দেয়ায় ডাকাতরা বাসের সুপারভাইজারকে ছুরিকাঘাত করে ড্রাইভার ও হেলপারকে পিটিয়ে আহত করে। পরে যাত্রীরা বিষয়টি জানালে হাইওয়ে থানার সামনে বাসটি আটক করে পুলিশ। বাসযাত্রীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই এতো ঘন ঘন ডাকাতি হচ্ছে।

 

বিয়ের বাধা কাটাতে পানের বরজে গোসল : তরুণীর জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার: পানের বরজে গোসল করালে বর ভাঙে (বিয়ের বাধা কেটে যায়), এমন ভ্রান্ত ধারণায় পানের বরজে এক তরুণীকে গোসল করিয়ে বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরা। পানের বরজে বিয়ে না হওয়া তরুণীর গোসল করালে পানের বরজ নষ্ট হয়ে যায়, এমন অজুহাতে ওই তরুণীর বিরুদ্ধে গ্রাম্য সালিস বসেছে। সেখানে তরুণীর পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জরিমানার ধার্যকৃত টাকা পরিশোধের জন্যও নির্দেশ দেয়া হয়। এমন অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে ভোলার লালমোহন ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে। জানা গেছে, কুমারখালী গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের নাতনির বিয়ের জন্য এসে পাত্রপক্ষ ফিরে যায়। তার বিয়ে না হওয়াতে পানের বরজে গোসল করালে বিয়ের বর ভাঙবে অর্থাৎ বিয়ের বাধা কেটে যাবে এমন ধারণায় পাশ্ববর্তী মোঃ শাহাবুদ্দিনের পানের বরজে নিয়ে গোসল করানো হয় তাকে। এদিকে ওই পানের বরজের মালিক- স্থানীয় মুরুব্বি, সদ্য ইউপি নির্বাচনে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী নুরে আলমের কাছে বিচার দাখিল করেন। সোমবার এ নিয়ে এলাকায় সালিশ বৈঠকও করা হয়। সালিশ নুরে আলমেরে নেতৃত্বে এলাকার আলাউদ্দিন মোল্লা, মুজাম্মেল মিয়া, রহিম, আঃ করিমসহ কয়েকজন বৈঠক করে পানের বরজের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করেন। জরিমানার টাকা মঙ্গলবার দিতে হবে বলেও প্রধান সালিশ নুরে আলম জানিয়ে দেন।

 

নেপালে পাহাড়ি রাস্তা থেকে বাস পড়ে ১৮ জন নিহত

মাথাভাঙ্গা মনিটর: নেপালে পাহাড়ি রাস্তা থেকে একটি বাস পড়ে গিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি ধারণ ক্ষমতার চেয়েও বেশি যাত্রী বহন করছিল। বাসটির যাত্রীদের বেশিরভাগই দেশটির বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দাশিন পালনের জন্য বাড়ি ফিরছিলেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাসটির ছাদেও যাত্রী বহন করা হচ্ছিলো। তার ওপর রাস্তাটি ছিল কাঁদায় পরিপূর্ণ। ভূমিধসের ফলে বেহাল দশা হয়েছিলো পাহাড়ি রাস্তাটির। একজন উদ্ধারকারীর বরাত দিয়ে এনডিটিভির খবরে জানানো হয়, বাসটির বামপাশের চাকা রাস্তা থেকে নেমে যাওয়ায় বাসটিই উল্টে পড়ে যায়। রাস্তা থেকে প্রায় ৩০০ মিটার নিচে আখু নদীর পাড়ে গিয়ে গাড়িটি ঠেকে। দুর্ঘটনাস্থলটি রাস্তা কাঠমাণ্ডু থেকে ১২০ কিলোমিটার পশ্চিমে। উদ্ধারকাজে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সাথে স্থানীয় লোকজন যোগ দেয়। কাঠমান্ডু থেকে দুইটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয় সেখানে। হেলিকপ্টারে করে ১৩ জন আহতকে উদ্ধার করে রাজধানীর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

 

৬৫০ রুপির জন্য শিশুকন্যা বিক্রি!

মাথাভাঙ্গা মনিটর: শিশুর দায়ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছিল না গরিব মা-বাবার। দিনে এনে দিন খাই অবস্থাতে জীবন কাটানো হরিতা ত্রিপুরা আর চরণ ত্রিপুরা তাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না সন্তানের লালন-পালন করবেন কেমন করে! আর তাই শেষটায় দারিদ্র্যের কাছে হার মেনে মাত্র ৬৫০ রুপির জন্য বিক্রি করে দিলেন নিজেদের শিশুকন্যাকে। ত্রিপুরার এক উপজাতি সম্প্রদায়ের দম্পতির চরম দারিদ্র্যের বশে নেয়া এমন সিদ্ধান্তে হতবাক গোটা ভারত। গত ১৮ সেপ্টেম্বর হরিতা এবং তার স্বামী চরণ নিজেদের দু বছরের সন্তানকে রিতা চাকমার কাছে বিক্রি করে দেন বলে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর খবরে প্রকাশ। ত্রিপুরার উপজাতি মানুষদের এই দুরবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় প্রশাসনের উপর রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। জানিয়েছেন, ‘ত্রিপুরার উপজাতি এলাকাগুলো চরম দারিদ্র্য কবলিত। এখানে মানুষ খিদের জ্বালায় জ্বলছেন অহরহ। আর এই খবরগুলোই প্রকাশ্যে আসতে দেয় না প্রশাসন। এখানকার মানুষের টিকে থাকার লড়াই যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেখানে সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়। আগেও পেটের তাড়নায় সন্তানকে বিক্রি করার ঘটনা ঘটেছে এই অঞ্চলে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তৎপরতা অবলম্বন করেছে পুলিশ। শিশুটিকে আগরতলার অভয়নগর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পেটের তাড়নায় সন্তানকে বিক্রি করার ঘটনা এই প্রথম নয়। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে ত্রিপুরার খোয়াই জেলার মুণ্ডা বস্তি এলাকায় এক দম্পতিও ৪ হাজার ৫০০ রুপির বিনিময়ে সদ্যোজাতকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

 

বিচ্ছেদের ছবি ভাইরাল : অবশেষে একত্রে সেই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা

মাথাভাঙ্গা মনিটর: ৬২ বছরের দাম্পত্য কাটিয়ে তারা বাধ্য হয়েছিলেন আলাদা থাকতে। এই তারা হলেন কানাডার উলফ্র্যাম এবং অ্যানিটা গটসচক। আলাদা নার্সিংহোমে ছিলেন দুজনে। বৃদ্ধ-বৃদ্ধার কান্নাভেজা বিচ্ছেদ-ছবি ভাইরাল হয়েছিল নেট দুনিয়ায়। আর এতে আবারও এক হওয়ার সুযোগ পেলেন দুজনে। পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে আবার একই বাড়িতে থাকছেন ৮৩ বছর বয়সী উলফ্র্যাম এবং ৮১ বছরের অ্যানিটা। সেখানেই ব্যবস্থা করা হয়েছে যাবতীয় চিকিৎসার। দুজনের আবার সাক্ষাতের দৃশ্যও দেখার মতো। একে-অপরের মুখে হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন পরম মমতায়। চুম্বন করছেন। দুজনের গাল বেয়ে নামছে আনন্দাশ্রু। বৃদ্ধ-বৃদ্ধার পুনর্মিলন দৃশ্য দেখে মুগ্ধ ভার্চুয়াল বিশ্ব। তাদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আর যাতে দুজনকে আলাদা না থাকতে হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। সেইসঙ্গে দেখা হবে যাতে অন্য পরিবারেও কোনও বৃদ্ধ দম্পতির এই অভিজ্ঞতা না হয়।

 

১০০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের পর খুন

মাথাভাঙ্গা মনিটর: পাঞ্জাবের পাতিয়ালায় শতবর্ষী এক বৃদ্ধাকে খুন করা হয়েছে। তার পরিবার বলছে, ধর্ষণের পরই তাকে খুন করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে চাষের জমিতে পড়ে থাকতে দেখা যায় ওই বৃদ্ধার অর্ধ-বিবস্ত্র দেহ। বৃদ্ধার বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন, রাতে ঘুমোতে যেতে তাদের বেশ দেরি হয়। সোমবারও প্রায় মধ্যরাতে ঘুমোতে গেছিলেন সবাই। পরিবারের প্রবীণতম সদস্য ওই বৃদ্ধা বাড়ির উঠোনে খাটিয়ায় ঘুমাতেন। মঙ্গলবার ভোরে চাষের জমিতে রক্তের স্রোতে বৃদ্ধাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। মাথায় ভারী আঘাতের চিহ্ন। পরিজনদের অভিযোগ‚ খুনের আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খুনের মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে দেখা হবে ধর্ষণের অভিযোগ সত্য কিনা। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এই কাজ মাদকাসক্তদের।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *