সাংসদরা আপন চরকায় তেল দিক: টেন্ডুলকার

 

মাথাভাঙ্গা মনিটর: খেলোয়াড়ি জীবনে দলের প্রতি শচীন টেন্ডুলকারের একাগ্রতা,দায়বদ্ধতা ছিলোঅতুলনীয়। অথচ সাংসদ হিসেবে টেন্ডুলকারের দায়বদ্ধতা নিয়ে উঠলো প্রশ্ন! ২০১২সালের জুনে ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সম্মানিত সদস্য হিসেবে শপথনিয়েছিলেন ‘লিটল মাস্টার’। খেলা থেকে অবসরের পর সংসদে যাওয়ার তেমন সময়ই করেউঠতে পারেননি। এ নিয়ে রাজ্যসভার অধিবেশনে কয়েকজন সদস্য সমালোচনা করেছিলেনসর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের। এবার সব সমালোচনার জবাব দিলেনটেন্ডুলকার।সম্প্রতি ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে ক্রিকেট জিনিয়াস বললেন, দিল্লিতে (রাজ্যসভা) আমার অনুপস্থিতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। কোনোপ্রতিষ্ঠানকে অসম্মান করি না।এরপরই নিজের অনুপস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন, জরুরি পারিবারিক চিকিত্সার কারণে কিছুদিন নিভৃতে থাকতে চেয়েছি। তবে এখনআপনাদের জানানো উচিত,আমার বড় ভাই অজিতের বাইপাস সার্জারি হয়েছে। এ কারণেতার পাশে আমাকে থাকতে হয়েছে।এরপর সাংসদদের সমালোচনা করেন টেন্ডুলকার।বললেন, সংবাদমাধ্যমে তারা অনেক কিছু বলেছে। কিন্তু আমি মনে করি,নিজেদেরকাজেই তাদের অধিক মনোযোগ দেয়া উচিত, অন্য কিছুতে নয়।শুধু টেন্ডুলকারইনয়, রাজ্যসভার আরেক সম্মানিত সদস্য অভিনেত্রী রেখাকে নিয়েও সমালোচনা হয়েছেতার অনুপস্থিতি কারণে। তবে দুজনে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করেননি বলে জানালেনরাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান পিজে কুরিয়েন। বললেন, নিয়মানুযায়ীকোনোসদস্য যদি অনুমতি ছাড়াই সংসদে নির্দিষ্ট সময়ে ৬০ দিন অনুপস্থিত থাকেন, তবেরাজ্যসভা তার পদ ‘শূন্য’ ঘোষণা করবে। টেন্ডুলকারের অনুপস্থিতি ৪০ দিন,রেখার তার চেয়েও কম। ফলে দুজন কোনো নিয়ম ভঙ্গ করেননি।

Leave a comment

Your email address will not be published.