ভারতে ৮ বছর কারাভোগের পর আপন ঠিকানায় ফিরলো দু ভাই-বোন

দর্শনা জয়নগর সমান্তে বিজিবি-বিএসএফর পতাকা বৈঠক

দর্শনা অফিস: দর্শনা জয়নগর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ’র পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বৈঠকে দু বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। ভারতে ৮ বছর কারাভোগ শেষে আপন ঠিকানায় ফিরলো দু ভাই-বোন।

জানা গেছে, ২০০৭ সালের ৫ মে ভোরে দিনাজপুরের সানকারপাসা গ্রামের চাঁনদারা রায়ের ছেলে হৃদয় রায় ও মেয়ে চায়না রায় রাধিকাপুর সীমান্ত পথে অবৈধভাবে মায়ের সাথে ভারতে যাচ্ছিলো। বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে ভারতে গেলে বিএসএফ’র হাতে ধরা পড়ে মা ভাদুরা রায়সহ দু ভাইবোন। ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের ৭ বছর কারাদণ্ড দেন সে দেশের আদালত। আইনি জটিলতার কারণে ৮ বছর পর ভাই-বোনকে দেশে ফেরত দেয়া হলো। মা ভাদুরী বালা রায় বহরমপুর সেন্ট্রাল জেলে আর নাবালক হৃদয় ও চায়নার ঠাঁই হয় বহরমপুররের সি লায়ন ও আনন্দ আশ্রম সেফহোমে। ভাই-বোনের সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাদের বাংলাদেশে ফেরত দেয়া হয়ছে। ভাদুরা রায় এখনো জেলের ঘানি টানছেন। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে দর্শনা জয়নগর সীমান্তের ৭৬ নং মেন পিলারের নিকট অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- দর্শনা কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার রবিউল ইসলাম, নিমতলা ক্যাম্প ইনচার্জ নায়েব সুবেদার আব্দুর বারেক, দর্শনা চেকপোস্ট ইনচার্জ হাবিলদার মীর্জা ওয়াজেদ, দামুড়হুদা থানার এসআই সুব্রত বিশ্বাস, দর্শনা ইমিগ্রেশন অফিসার নাজমুল, বিএসএফ’র গেদে কোম্পানি কমান্ডার এসি তারা দত্ত, গেদে ইমিগ্রেশন ইনচার্জ আরকে সিনহা। বৈঠকে বিএসএফ সদস্যরা চায়না ও হৃদয়কে বিজিবির হাতে হস্তান্তর করেন। বিজিবির পক্ষ থেকে সোপর্দ করা হয় দামুড়হুদা থানা পুলিশের হাতে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চায়না ও হৃদয়কে আপন ঠিকানায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছিলো বলে জানান এসআই সুব্রত বিশ্বাস।

Leave a comment