ধঞ্চে চাষের মাধ্যমে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি : ফলপ্রসূ রাসায়নিক সার লাগে কম

 

জিয়াউর রহমান জিয়া: মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও রাসায়নিক সারের ওপর নির্বরতা কমাতে কম্পোস্ট সারের পাশাপাশি ধঞ্চের চাষে অনেক বেশি অনুর্বর মাটিকে উর্বর করতে সক্ষম। অভিজ্ঞ ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া বার বার একই জমিতি রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতাও কমছে।

জানা যায়, কৃষি প্রধান বাংলাদেশ। দিন দিন দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আবাদি জমির ওপর চাপ পড়ছে আবাদযোগ্য জমিতে গড়ে ওঠছে বসতবাড়ি। গ্রামাঞ্চলের মানুষ পরিবারের সদস্যদের বার্ষিক খাবারের কথা মাথায় রেখে অল্প জমিতে বেশি ফলন উৎপাদনের লক্ষ্যে আবাদি জমিতে ব্যবহার করছে বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক সার। এতে উৎপাদন কিছু বৃদ্ধি পেলে ও জমি হারাচ্ছে তার উর্বর শক্তি। ফলে প্রতি বছরই জমিতে বৃদ্ধি করতে হচ্ছে রাসায়নিক সারের প্রয়োগ। এতে করে একদিন জমির উর্বর শক্তি হারিয়ে যাবে।

অপরদিকে অধিক রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মানব দেহে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন রোগের জীবাণু। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন রোগের। তাই জমিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগের মাত্রা কমিয়ে জৈব সারের পাশাপাশি ধঞ্চের চাষ করে প্রাকৃতিকভাবে মাটির উর্বর শক্তি বৃদ্ধি করা যায় অনেক অংশে। এতে করে অল্প খরচে বেশি সারের কাজ করবে। জমিতে ফসল কাটার পর পরই ১ বিঘা জমিতে ৩ থেকে ৪ কেজি ধঞ্চের বীজ ছিটিয়ে দিয়ে ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে তা লাঙ্গল দিয়ে ভেঙে দিতে হয়। এতে বিঘা প্রতি খরচ হবে ৩ থেকে ৪শ টাকার মতো।

 

Leave a comment