চুয়াডাঙ্গা ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬২ ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ পরীক্ষার্থীর এপ্লাস

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকা : বেড়েছে পাস, কমেছে জিপিএ

 

স্টাফ রিপোর্টার: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কিছুটা বাড়লেও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। মাদরাসা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসায় সার্বিকভাবে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে। তবে সার্বিক ফলে সন্তুষ্ট শিক্ষামন্ত্রীসহ প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। সারাদেসের ফলাফলের প্রভাব চুয়াডাঙ্গাতেও। চুয়াডাঙ্গার সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও সরকারি ভি.জে উচ্চ বিদ্যালয়েও এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে পাসের হার এবারও সন্তোষজনক বলেই মন্তব্য।

গতকাল বুধবার সারাদেশে একযোগে ফল প্রকাশিত হয়। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০ বোর্ডে পাসের হার ৮৮ দসমিক ২৯ শতাংশ। গতবছর এ হার ছিলো ৮৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ২০১৪ এ হার ছিল ৯১ দসমিক ৩৪ সতাংস, ২০১৩ সালে ছিলো ৮৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও গতবারের চেয়ে কমেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন, গত বছর ছিলো ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। ২০১৪ সালে এ সংখ্যা ছিলো ১ লাখ ৪২ হাজার ২৭৬ জন।

গত বছর মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ছিলো ৯০ দসমিক ২০ সতাংস, এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ২২ শতাংশ। এবার কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক শূন্য ১১ শতাংশ।, গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিলো ৮৩ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশের ষোড়স বছরে এবার সেরা দসের স্কুলের তালিকা করা হয়নি।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে তার সম্মেলন কক্ষে এসএসসির ফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকালে তিনি গণভবনে পরীক্ষার ফলাফলের কপি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে। ফল প্রকাসের সময় সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফলাফলে অসন্তুষ্ট নই, কিন্তু আমরা আরো ভালো চাই। আমাদের ছেলেমেয়েরা যতো ভালো করবে আমরা ততোই উত্সাহিত হবো। আমি অসন্তুষ্ট এ কথা মোটেই বলবো না। পরীক্ষায় যারা পাস করতে পারেনি তাদের হতাস না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় পাস-ফেল করা অনেক সময় নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। আমরা আশা করবো ভবিষ্যতে তারা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে ভালো ফল করবে। আমরা খুশি আছি কিন্তু আমরা অনেক  বেশি খুশি হতে চাই। সবাই যেন ভালো করতে পারে সেই চেষ্টাই আমরা করে যাচ্ছি। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা হবে ও মূল্যায়ন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

প্রতিবারের মতো এবারো সহরের স্কুলগুলোর ভালো ও ঈর্ষণীয় ফলাফল অব্যাহত রয়েছে। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ভালো ফল করা স্কুলগুলোতে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। স্কুলে স্কুলে বাদ্য বাজিয়ে, হৈ-হুল্লোড় করে, হাতে হাত রেখে নেচে-গেয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে শিক্ষার্থী,  অভিভাবক ও শিক্ষকরা। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা কাঙ্ক্ষিত ফলের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপেক্ষা করতে থাকেন। বেলা দুইটায় স্কুলের দেয়ালে দেয়ালে টাঙিয়ে দেয়া হয় ফলাফল। এরপরই শিক্ষার্থীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে ফল জানার জন্য।

কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পেরে অনেকের চোখেই আনন্দ অশ্রু দেখা যায়। আবার প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে না পেরে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়ে। বেলা দুইটা থেকে ওয়েবসাইটে ফল প্রকাস করা হয়। মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফল জানতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা ভি.জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ২৬৬ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২৫৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬২ জন। চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৯৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৯২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন। কুকিয়া চাঁদপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ২৪ জন। পাস করেছে ২২ জন। আল হেলাল ইসলামী একাডেমী মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৫ জন। পাস করেছে ১১ জন। কাথুলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৫৮ জন। পাস করেছে ৪৯ জন। সীমান্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৪৬ জন। পাস করেছে ৪৩ জন। ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১০৩ জন। পাস করেছে ৯১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। এমএ বারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৯৯ জন। পাস করেছে ৮৪ জন। সিএইচআর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ১২৮ জন। পাস করেছে ১০৯ জন। নীলমণিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১২৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ১১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ জন। মুন্সিগঞ্জ সৃজনী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠে ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। আসমান খালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। হাড়োকান্দি-বলেশ্বরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ২৮ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২৬ জন। বড়গাংনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৭৮ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৬৯ জন। গোকুলকালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৪৮ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৩৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। চুয়াডাঙ্গা টেনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষার্থী ছিলো ২৫৬ জন। পাস করেছে ১৮৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন। দসমী মহিলা দাখিল মাদরাসায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৪ জন। পাস করেছে ২ জন। বদরগঞ্জ বাকিবিল্লাহ কামিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ৫০ জন। পাস করেছে ৩৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়ে ৫ জন। যুগিরহুদা আবুল হোসেন দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ৪৩ জন। পাস করেছে ৩৫ জন। সড়াবাড়িয়া দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ৩৯ জন। পাস করেছে ২৮ জন। ৬২ আড়িয়া দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ৩০ জন। পাস করেছে ২৩ জন। ডিঙ্গেদহ  দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ৩০ জন। পাস করেছে ২৭ জন। বেগমপুর দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ১৫ জন। পাস করেছে ১১ জন। হাজরাহাটি দারুল ইসলামী দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ২২ জন। পাস করেছে ১০ জন। চুয়াডাঙ্গা ফাজিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ৪৮ জন। পাস করেছে ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। চুয়াডাঙ্গা মহিলা দাখিল মাদরাসায় পরীক্ষার্থী ছিলো ১৩ জন পাস করেছে ১০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

ডিঙ্গেদহ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গা সদরের ডিঙ্গেদহ সোহরাওয়ার্দ্দী স্মরণী বিদ্যাপীঠের এসএসসি পরীক্ষায় ৭৯ জন অংসগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৭৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। ৫ জন জিপিএ৫ পেয়েছে। ডিঙ্গেদহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ৩৬ জন অংশগ্রহণ করে এবং ৩৬ জনই পাস করেছে।

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি  জানিয়েছেন, দামুড়হুদার  কার্পাসডাঙ্গা কেন্দ্রে  এসএসসিতে ৬ জন শিক্ষার্থী এ প্লাস পেয়েছে। কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাস করেছে। ৪ জন  পরীক্ষার্থী এ প্লাস পেয়েছে। কার্পাসডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯০ জন পাস করেছে। ১ জন পরীক্ষার্থী এ প্লাস পেয়েছে। কুড়ুলগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৬ জন পাস করেছে। ১ জন পরীক্ষার্থী এ প্লাস পেয়েছে। কুতুবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১১৮ জন পরীক্ষার্থী মধ্যে ১০১ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। নাটুদা মাধ্যমিক  বিদ্যালয়ের ৮৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ৭৭ জন।  কানাইডাঙ্গা  মাধ্যমিক  বিদ্যালয়ের ৭১ জনের মধ্যে পাস করেছে ৬১ জন। সদাবরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৭ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫৪ জন। তালসারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  ৪৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ৪১ জন। ঠাকুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২২ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৫ জন।

জীবননগর ব্যুরো জানিয়েছে, জীবননগরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৫৯ জন। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় ২৩ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৩২ জন জিপিএ-৫, দাখিল পরীক্ষায় ৭টি মাদরাসা হতে ৪ জন জিপিএ-৫ ও ৬ টি কারিগরি বিদ্যালয় হতে ২২ জন জিপিএ- ৫ পেয়েছে। দাখিলে হাসাদাহ মডেল ফাজিল মাদরাসা ও ভোকেসনাল পরীক্ষায় ১১টি জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলার শীর্ষে রয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসূত্র জানায়, এসএসসিতে জীবননগর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হতে ৯৫ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৭৫ জন, জিপিএ৫ পেয়েছে ৯ জন। জীবননগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয হতে ৫৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস কেরেছে ৪৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। হাসাদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৮৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৭৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৬১ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫১ জন। উথলী বালিকা বিদ্যালয় হতে ৩৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৪ জন। মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৩৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৫ জন। আন্দুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৯৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৯০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। আন্দুলবাড়িয়া বালিকা বিদ্যালয় হতে ৬৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। রায়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৩৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩০ জন। ধোপাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৭১ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫৯ জন। গয়েসপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৭৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৬০ জন। বিসিকেএমপি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৬৫ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। করতোয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ২৪ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২২ জন। মিনাজপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৩৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। কাশিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৫৪ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪৭ জন। হাসাদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হতে ৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৭ জন। শাপলাকলি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ১১৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ১০৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। শাহাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৪৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪৩ জন। হাজি মনির হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ২৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২১ জন। আলিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৩৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩১ জন। শিংনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৪৫ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৯ জন। পাঁকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৬ জন ও কাসেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৭২ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

দাখিল পরীক্ষায় জীবননগর উপজেলা আলিম মাদরাসা হতে ৫০ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৭ জন। হাসাদাহ মডেল ফাজিল মাদরাসা হতে ৫৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৫০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। মাধপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা হতে ৩৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২৮ জন। জান্নাতুল থাদরা দাখিল মাদরাসা হতে ৪৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। নিধিকুণ্ডু বাড়ান্দি দাখির মাদরাসা হতে ৩৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাঁকা দারুস সালাম দাখিল মাদরাসা হতে ৩১ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন ও আন্দুলবাড়িয়া আসরাফিয়া আলিম মাদরাসা হতে ৩৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩০ জন।

কারিগরি শিক্ষা ভোকেসনাল পরীক্ষায় জীবনগর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হতে ৪৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন। জীবননগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ১০৫ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৮২ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। মিনাজপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৬৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৪২ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। হাসাদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৪৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৪৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ২৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন ও উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৫৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৩৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

গাংনী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মেহেরপুর গাংনী উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার গত বছরের মতো হলেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা। এ উপজেলায় ৯৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৬টি, সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৭টি ও ভাটপাড়া (কষবা) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫টি। ফলাফলে সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবারো জেলার সেরা অবস্থান অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হয়েছে। সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১০৪ জন পরক্ষার্থীর মধ্যে ১০২ জন পাস, জিপিএ-৫ ৩৭ জন, পাসের হার ৯৮ দসমিক ০৭। গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে ২৯৫ জনে ২৮৫ জন পাস করেছে, ৪৬ জন জিপিএ-৫ এবং পাসের হার সতকরা ৯৬ দসমিক ৬১। আমতৈল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪০ জন পরীক্ষা দিয়ে সতভাগ পাস করেছে। গত বছরও বিদ্যালয়টিতে সতভাগ পাসের হার ছিলো। ভাটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় (কষবা) ৭৩ জনে ৭৪ জন পাস এবং পাসের হার ৯৮ দসমিক ৬৪ ভাগ।

জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৪ জনে ৭০ জন পাস। হিজলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৬ জনে ৫৩ পাস করেছে। গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২৯ জনে ২১ জন পাস করেছে। ভাটপাড়া (কুঠি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৭১ জনে ৬০ জন পাস করেছে। এইচ.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৮ জনে ৪৬ জন পাস করেছে। বিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৩ জনে ১০ জন পাস করেছে। রাইপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৭ জনে ৪৬জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। ডিজিএমসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৬ জনে ৪২ জন পাস করেছে। জোতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫২ জনে ৫০ জন পাস করেছে। গাড়াডোব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯৮ জনে ৮৩ জন পাস করেছে। ধানখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪২ জনে ৩৩ জন পাস করেছে। ধলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৪ জনে ৬২জন পাস করেছে। করমদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১২৮ জনে ১২৫জন পাস করেছে। ৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। কুমারীডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ জনে ৪০ জন পাস করেছে। গাংনী পৌর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫৫ জনে ৫৪ জন পাস করেছে। জেটিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২৫ জন পরীক্ষার্থীর ২৫ জন পাস করেছে। বেতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬২ জনে ৫৮ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষায় ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে শতভাগ পাসের গৌরব অর্জন করেছে। এ কলেজ থেকে এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বুধবার দুপুরে এসএসসির ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ ক্যাডেটরা হচ্ছে এখলাস, সিজান, মুহতাদি, জাহিদ, সাজিম, আনজুম, রাইন, ইসরাক, তাহমিদ, আবির, তারিক, সাকিব, কায়েস, রাব্বি, ইসমাম, জামী, ফারদিন, তানজীম, শামীম, মানসিফ, অরিত্র, শাহরিয়ার, যুহায়ের, মুরসালিন, নাদিম, জামান, সাজিদ, জুবায়ের, তামিম, হায়দার, জাভেদ, রিয়াদ, আহমেদ, ইসতিয়াক, দাইয়ান, জিসান, আসমার, ওয়ালি, ফয়সাল, মাহমুদ, আশিব, তৌফিক, সোহান, আহনাফ, সাদিক, মেহরাব, নোমান, মাহফুজ, রাফিন, মুহতাসিম, তামজীদ ও মহিবুল্লাহ। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল মো: সাদিকুল বারী জানান, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ফলাফলের দিক থেকে যশোর বোর্ডর মধ্যে এবারো শীর্ষে অবস্থান করছে। তিনি বলেন, ক্যাডেটদের এ সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের নিবীড় তত্ত্বাবধানে সময়মতো সিলেবাস সম্পন্ন করা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনাসহ ক্যাডেট, ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও অবিভাবকদের প্রচেষ্টায় আমারা এ সাফল্য পেয়েছি।

Leave a comment