চুয়াডাঙ্গায় ডিজিটাল সেন্টারের পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় ডিজিটাল সেন্টারের পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্সেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম (এটুআই) সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন কর্মসূচি হাতে নেয়।

গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. রশীদুল হাসান ও পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার। অনুষ্ঠানে সহকারী কমিশনার সৈয়দা নাফিস সুলতানার উপস্থাপনায় অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ (অব.) সিদ্দিকুর রহমান, দামুড়হুদা ইউএনও ফরিদুর রহমান, হাসাদহের উদ্যোক্তা নাসরুল ইসলাম, উথলীর তৌফা ইয়াসমিন, তিতুদহের ঝরণা রাণী পাল, দর্শনা পৌরসভার মেহেদী হাসান ও বাড়াদীর ইমদাদুল হক। এ সময় চুয়াডাঙ্গা সদর ইউএনও কেএম মামুন উজ্জামান, আলমডাঙ্গা ইউএনও আহমেদ কামরুল হাসান, তথ্য অফিসার আবু বকর সিদ্দিক ও সহকারী কমিশনার মুসফিকুল আলম হালিমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সহকারী প্রোগ্রামার আব্দুল করিম ডিজিটাল সেন্টার নিয়ে ভিডিও প্রদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস বলেন, ‘আমরা শাসক নয়, জনগণের বন্ধু। বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় কম খরচে সেবা পৌঁছে দিতে ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র চালু করেছিলো। যা পরবর্তীতে ডিজিটাল সেন্টার হিসেবে নাম ধারণ করেছে। বর্তমানে ঘরে বসে মানুষ সেবা পাচ্ছে। প্রথমদিকে চলার পথটি সহজ ছিলো না। সরকার এসব কাজে ল্যাপটপসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। উদ্যোক্তাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। ভালো কাজ পেলে অন্যদের সুযোগ দিয়ে চলে যেতে হবে। জেলার ৩৬টি ইউনিয়ন ও চার পৌরসভায় উদ্যোক্তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এভাবে সেবা কার্যক্রম এগিয়ে চললে ২০২১ সাল নয়, তার আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিণত হবে।

 

Leave a comment