দেশী টুকরো খবর

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ে বেতন বৃদ্ধি অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্টার: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, বিচারপতি ও সংসদ সদস্যদের বেতন বাড়ানো সংক্রান্ত ছয়টি অধ্যাদেশে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এসব অধ্যাদেশে অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা এ কথা জানান। অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতির মূল বেতন ৬১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বেতন ৫৮ হাজার ৬০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা, স্পিকারের বেতন ৫৭ হাজার ২০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১২ হাজার টাকা, প্রধান বিচারপতির বেতন ৫৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। মন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, চিফ হুইপ, আপিল বিভাগের বিচারপতিদের বেতন ৫৩ হাজার ১০০ থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৫ হাজার টাকা, হাইকোর্টের বিচারপতির বেতন ৪৯ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৯৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় উপনেতা, হুইপদের বেতন ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ হাজার টাকা, উপমন্ত্রীদের বেতন ৪৫ হাজার ১৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা ও সংসদ সদস্যদের মূল বেতন ২৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ব্যাংকের ছলনায় ঋণখেলাপি কাদের সিদ্দিকী!

স্টাফ রিপোর্টার: কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, টাঙ্গাইল-৪ উপনির্বাচন থেকে তাকে সরিয়ে দেয়ার জন্য ব্যাংক ছলনা করে তাকে ঋণখেলাপি সাব্যস্ত করেছে। এর মাধ্যমে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। তবে তিনি প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যাবেন। গতকাল সোমবার বিকেলে মতিঝিলে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কাদের সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, যেদিন আমি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি, তার পরদিন পর্যন্ত ব্যাংকের কাগজপত্রে ঋণখেলাপি নই। কিন্তু এরপরও অগ্রণী ব্যাংকের টাঙ্গাইল শাখা ঋণখেলাপি বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি চিঠি দেয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা পরে নির্বাচন কমিশনের কাছে সে চিঠি দেয়। এভাবে আমার ও আমার স্ত্রীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। কাদের সিদ্দিকী বলেন, তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রকৌশলী সংস্থা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত। প্রার্থিতা বাতিল হবে, তা জেনেশুনেই কি দল থেকে চারজনের মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কিছু হতে পারে, আমাদের মনে সন্দেহ ছিলো।

 

ঢাকায় গুলি করে ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই

স্টাফ রিপোর্টার: পুরান ঢাকার তাঁতিবাজারে একটি গয়নার দোকানের এক কর্মীকে গুলি করে ২৫ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে তাঁতিবাজারে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের কোতোয়ালি জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মো. আহাদুজ্জামান মিয়া জানান। গুলিবিদ্ধ পার্থ কুমারকে (৪০) জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান-পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পুলিশ কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান বলেন, তাঁতিবাজারের স্বাদ জুয়েলার্সের কর্মচারী পার্থ বিকেলে ইসলামপুরে আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৫ লাখ টাকা তুলে হেঁটে দোকানের দিকে যাত্রা করেন। তাঁতিবাজারে দোকানের কাছাকাছি পৌঁছুলে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন তিনি। তাকে গুলি করে টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পার্থ’র পায়ে একটি গুলি লেগেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। ছিনতাইকারীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে বলে এ সহকারী কমিশনার জানান।

 

চট্টগ্রাম মেডিকেলের শিক্ষককে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে জখম

স্টাফ রিপোর্টার: বন্দরনগরীর হালিশহর থানা এলাকায় বাসায় ঢুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষককে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আহত তারেক শামস চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের একজন প্রভাষক। তিনি চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ডা. শামসুল আলম ও আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আনোয়ারা আলমের ছেলে। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) আরেফিন জুয়েল জানান, গতকাল সোমবার ভোরে নগরীর হালিশহর থানার রঙ্গিপাড়া এলাকায় হামলার শিকার হওয়ার পর তারেককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক শহীদুল গণি বলেন, ডা. তারেক শামসের আঘাত গুরুতর। তার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভোর ৫টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত দরজায় টোকা দিলে তারেক দরজা খুলে দেন। এ সময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাতে ও মাথায় কুপিয়ে পালিয়ে যায়। বাসার কোনো মালামাল বা টাকা খোয়া যায়নি। পেশাগত বা ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্ব থেকে এ ঘটনা ঘটেছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ব্যাংকে ধরনা নয় : অ্যাকাউন্টে যাবে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা

স্টাফ রিপোর্টার: সঞ্চয়পত্রের মুনাফা পেতে এখন থেকে আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যেতে হবে না, গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে এ টাকা। স্বয়ংক্রিয়ভাবে তহবিল স্থানান্তরের সফটওয়্যার ‘ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার’ গত রোববার চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমেই গ্রাহকের মাসিক মুনাফা এবং মেয়াদ শেষে মূল টাকা তার একাউন্টে জমা হবে। দেশের কয়েকটি ব্যাংক আগে থেকেই এ ব্যবস্থা চালু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও এখন এ ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত হলো।

Leave a comment