স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের সমর্থকেরা ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলো ২০০৭ সালের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর সুখস্মৃতি। কিন্তু গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিরলো ২০১১ বিশ্বকাপের দুঃসহ স্মৃতি। সেদিন এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই ৫৮ রানে অলআউট হওয়ার লজ্জায় ডুবেছিলো বাংলাদেশ। গতকালকের পরিস্থিতি ততোটা খারাপ না হলেও ম্যাচ শেষে আফসোস আর হা-হা-কারই সঙ্গী হলো বাংলাদেশ সমর্থকদের। জয়ের জন্য ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হলো ৯৮ রানে।
শেষ পর্যায়ে মাশরাফি ১৯, সোহাগ গাজী ১১ ও জিয়াউর রহমান ৯ রান না করলে হয়তো হয়ে যেতো টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে কম রানের ইনিংসের নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিলো ৭৮ রানে। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের আরেকটি লজ্জাজনক রেকর্ড গতকাল নতুন করেই গড়েছে বাংলাদেশ। ৭৩ রানের এ হারটাই এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০০৭ সালে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেছিলো ৬৪ রানের ব্যবধানে।
প্রথম চার ওভারের মধ্যেই দু ওপেনার তামিম ইকবাল (৫), এনামুল হক (১০) ও সাকিব আল হাসানের (০) উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়েছিলো বাংলাদেশ। তবে স্বাগতিকদের সবচেয়ে বড় সর্বনাশটা করেছেন স্যামুয়েল বদ্রি। ১১তম ওভারেই এ ডানহাতি লেগস্পিনার তুলে নিয়েছিলেন সাব্বির আহমেদ (১), মুশফিকুর রহিম (২২) ও মাহমুদুল্লাহর (১) উইকেট। স্কোরবোর্ডের অবস্থা ছিলো ১১ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ৫৯ রান। হারটাও নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলো তখনই। শেষ পর্যায়ে মাশরাফি, সোহাগ গাজীরা শুধু হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছেন। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে মাত্র ১৫ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট নিয়েছেন বদ্রি। তিনটি উইকেট গেছে ক্রিসমার সান্টোকির ঝুলিতে। এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ডোয়াইন স্মিথের ৭৮ ও ক্রিস গেইলের ৪৮ রানের ইনিংস দুটির সুবাদে স্কোরবোর্ডে ১৭১ রান জমা করেছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।