ওদের আদরে বাদর বানানোর বদলে আদর্শে অনুপ্রাণিত করাই বড়দের দায়িত্ব

ওই বখাটেদের কোনোভাবেই বরদাস্ত করা সমীচিন নয়। মেয়েদের উত্ত্যক্ত করাই যখন অন্যায়, তখন সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারণে মারপিট? এরপর পুলিশি নীরবতা মানে বখাটেদের উৎপাতকে উসকে দেয়া। সমাজের দায়িত্বশীলদেরও উদাসীন হয়ে ওদের অন্যায় আবদার মেনে নিয়ে গড্ডালিকায় গা ভাসানো মানে বোকার স্বর্গে বাস করা।
আমাদের সমাজে এখনও যে পারিবারিক বন্ধন বিদ্যমান, তা বহু দেশের কাছেই ঈর্ষণীয়। ঈদের পর পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে বের হওয়া পারিবারিক বন্ধনেরই অংশ। তাছাড়া সকল স্বামীর কাছেই তার স্ত্রীর নিরাপত্তা প্রত্যাশী। ঈদের পরদিন স্ত্রী ও শ্যালিকাকে সাথে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা স্টেশনের দিকে বেড়াতে গিয়ে যখন কিছু বখাটে উত্ত্যক্ত করে তখন স্বামী প্রতিবাদ করে লাঞ্ছিত হয়। ঘটনাটিকে কোনোভাবেই খাটো করে দেখা উচিত নয়। কেননা, ওই ঘটনাটিকে তুচ্ছ ঘটনা ভেবে উদাসীন হলে সড়কে শুধু নারীর নিরাপত্তাহীনতাই নয়, স্বামী-স্ত্রীর নিরাপত্তা বলতে আর কিছুই থাকবে না। বখাটেদের অন্যায় মানসিকতা ভয়ঙ্কর অপরাধীও করে তুলবে।
অবশ্যই বখাটেরাও কোনো না কোনো পরিবারেরই সদস্য, কারো না কারো সন্তান। এদের সুপথে নিতে শুধু আইনি পদক্ষেপই নয়, পারিবারিক প্রচেষ্টাও প্রয়োজন। সমাজকে সুন্দর করতে হলে প্রজন্মকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে। আর এজন্য অন্যায় আবদার মেনে আদরে বাদর বানানোর বদলে আদর্শে অনুপ্রাণিত করাই বড়দের বড় দায়িত্ব।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *