স্বেচ্ছামৃত্যুর পক্ষে হকিং

 

মাথাভাঙ্গা মনিটর: স্বেচ্ছামৃত্যুকে সমর্থন দিলেন ব্রিটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। এক্ষেত্রে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে যাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বেঁচে থাকাটাই যাদের কাছে হয়ে পড়েছে যন্ত্রণার। কেবল তারাই স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বেছে নেয়ার অধিকার রয়েছে বলে মনে করেন স্টিফেন হকিং। একই সাথে নিরাপদে আত্মহত্যা করার জন্য তাদের সহায়তা পাওয়ার অধিকার আছে বলেও মনে করেন তিনি। চলতি সপ্তায় হকিঙের জীবনী নিয়ে তথ্যচিত্র মুক্তি পেয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে, তখন অবশ্যই তার স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বেছে নেয়ার অধিকার আছে। এ সময় হকিং স্মৃতিচারণ করে বলেন, একবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিলো। এক সময় তার স্ত্রীকে বলা হয়েছিলো, তিনি চাইলে লাইফ সাপোর্ট সরিয়ে নেয়া যেতে পারে। কিন্তু তার স্ত্রী লাইফ সাপোর্ট খুলে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি যারা দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছেন এবং এজন্য যাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে, তাদের স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া উচিত। যারা ওই রোগীর মৃত্যুতে সহায়তা করবেন তাদের বিচারের আওতামুক্ত রাখা উচিত। বিখ্যাত এ ব্রিটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ২১ বছর বয়সে দূরারোগ্য মটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হন। সেই থেকে হুইল চেয়ারের চলাফেরা করেন ব্ল্যাক হোল তত্ত্বের প্রবক্তা ৭১ বছর বয়সী এ বিজ্ঞানী।

Leave a comment

Your email address will not be published.