বিশ্ব টুকিটাকি : সর্বকনিষ্ঠ শান্তিদূত মালালা

জাতিসংঘের সর্বকনিষ্ঠ শান্তিদূত মালালা

মাথাভাঙ্গা মনিটর: জাতিসংঘের সর্বকনিষ্ঠ শান্তিদূত হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানি তরুণী মামলা ইউসুফজাই। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। সোমবার তাকে নিয়োগ দেয়া হবে। ১৯ বছর মালালা পুরো বিশ্বে নারী শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখবেন। গুতেরেস বিবৃতিতে বলেন, মৃত্যুর ঝুঁকির মুখেও মালালা নারী, শিশু ও সব মানুষের অধিকারের বিষয়ে অটল থেকেছেন। নারী শিক্ষার জন্য তার সাহসী কর্মকাণ্ড এরই মধ্যে বিশ্বের অনেক মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। ২০১২ সালের অক্টোবরে পাকিস্তানের মিঙ্গোরা এলাকায় স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তালেবানদের হামলার শিকার হন মালালা। নারী শিক্ষা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠা এই তরুণী ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

 

কলম্বিয়ায় ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১৪

মাথাভাঙ্গা মনিটর: কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মোকোয়ায় গত সপ্তাহে বড় ধরনের ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১০২ জনেরও বেশি শিশু। শুক্রবার দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়। টানা ভারী বর্ষণে নদীগুলোর পানি বেড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়ার এক সপ্তাহ আগে ভূমিধস ঘটে। এ সময় কাদাপানিতে শহরটি ঢেকে যায়। কাদাপানির কারণে বহু বাড়িঘর ভেসে যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে চাপা পড়ে বহু লোক মারা যায়। জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ইউনিট সর্বশেষ পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে জানায়, এখন পর্যন্ত প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ৩৩২ জন আহত ও অন্তত ৪ হাজার ৫০৬ জন গৃহহীন হয়ে পড়েছে। দুর্যোগ ইউনিট আরো জানিয়েছে, তাদের কাছে ১২৭ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর রয়েছে। এদের মধ্যে তিন জন বিদেশি নাগরিক রয়েছে। এরা স্পেন, জার্মানি ও ইকুয়েডোরের নাগরিক।

 

৩৪ বার সাপের ছোবল খেয়েও বেঁচে আছেন হিমাচলের সর্পকন্যা!

মাথাভাঙ্গা মনিটর: দিনে নাকি ২-৩ বারও সাপের ছোবল খেয়েছেন তিনি। তবু কোনো সমস্যাই নেই! মাত্র ১৮ বছরের জীবনে এর মধ্যেই নাকি ৩৪ বার সাপ ছোবল দিয়েছে তাকে। তবু দিব্যি রয়েছেন মণীষা ভর্মা। হেসে খেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সুস্থও রয়েছেন। মণীষাদের বাড়ি ভারতের হিমাচল প্রদেশ। পাহাড় ঘেরা পরিবেশে বাড়ির আশেপাশে রয়েছে নদী, জঙ্গল। খুব স্বাভাবিক ভাবে প্রচুর সাপও রয়েছে সেখানে। মণীষার দাবি, গত তিন বছরে তাকে সাপে কেটেছে মোট ৩৪ বার। মণীষার বাবা সুমের ভর্মা জানালেন, তার মেয়ের কাছে এই ব্যাপারটা অভ্যাসের মতো হয়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের মধ্যে এখন মণীষা সর্পকন্যা হিসাবে খ্যাত হয়ে গিয়েছেন। বেশির ভাগই মনে করেন মণীষার ওপর দেবতাদের আশীর্বাদ রয়েছে।  এইতো কিছুদিন আগেই সাপের কামড় নিয়ে স্থানীয় মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন মণীষা। সেখানকার সুপার ওয়াই এস পারমার জানাচ্ছেন, যে সাপটি মণীষাকে কামড়েছিলো সেটি ছিলো বিষহীন। ফলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর এখন মণীষা অনেকটাই সুস্থ। ওই হাসপাতালেরই আরও এক চিকিৎসক কেকে প্রসার বলেন, আমাদের চারপাশের ৮০ শতাংশ সাপই বিষহীন। সম্ভবত মণীষাকে যে সাপগুলি কামড়েছে তার সবকটিই ছিলো বিষহীন। ফলে সাময়িকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত মণীষার অবস্থা কখনওই তেমন আশঙ্কাজনক অবস্থায় পৌঁছায়নি। স্থানীয় বন কর্মকর্তা বীরেন্দ্র জানান, শিল্লাই আর সিরমৌর এলাকায় রাসেল স্নেকের মতো বিষাক্ত কিছু সাপ আছে। তবে মণীষাকে ঠিক কোনো সাপ কামড়েছে তা জানা সম্ভব নয়। সম্ভবত বিষহীন সাপই কামড়েছিল মণীষাকে। সম্ভবত বারংবার সর্পদংশনের ফলে ওই মেয়েটির শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে। যার ফলে সাপের কামড় তাঁর শরীরে আর কোনও প্রভাব ফেলে না দাবি করেন বন দফতরের পশু চিকিৎসক রোহিত।

 

ঝাড়খণ্ডে হিন্দু তরুণীর সাথে প্রেম করায় মুসলিম তরুণকে পিটিয়ে হত্যা

মাথাভাঙ্গা মনিটর: ভারতের ঝাড়খণ্ডে এক হিন্দু মেয়ের সাথে প্রেম করার অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ শালিক নামের এক মুসলিম যুবককে পিলারের সাথে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবারের এই নির্মম ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হিন্দু মেয়েটিকে জেরার পরে এই বিষয়ে তথ্যসংগ্রহ করে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই মেয়েটির পরিবার সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিলো এবং মোহাম্মদ শালিককে হুমকি দিয়েছিলো। হুমকিতে কান না দিয়ে মোহাম্মদ শালিক তাকে গত বুধবার বাড়িতে রেখে আসতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে। এরপর তাকে পিলারের সাথে বেধে পেটানো হয়। শালিক রাতের বেলা বাড়ি না ফিরলে তার পরিবার বন্ধুদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তাকে প্রচণ্ড আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে গত বৃহস্পতিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শালিক। পুলিশ কর্মকর্তা চন্দন কুমার ঝা বলেন, বৃহস্পতিবার মোহাম্মদ শালিককে হত্যা করার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে অন্য সম্প্রদায়ের নারীর সাথে প্রেম করার কারণে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *