দেশের টুকিপাকি : ২৪ জুলাই থেকে হজ ফ্লাইট শুরু

২৪ জুলাই থেকে হজ ফ্লাইট শুরু

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ২৪ জুলাই থেকে এ বছরের হজ যাত্রীদের ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। ওই দিন দুটি ফ্লাইটে এক হাজারের মত যাত্রী সৌদির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যাবেন। এ বছর এলাখ ২০ হাজারেরও বেশি হজ যাত্রী বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যাচ্ছে।  জানতে চাইলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল জলিল বলেন, বিমান মন্ত্রণালয় থেকে এরই মধ্যে হজ ফ্লাইটের সিডিউল ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের আসন পুনঃবিন্যাস করে চুড়ান্ত সিডিউল আগামী দু একদিনের মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা করা হবে। তবে ২৪ জুলাই থেকেই হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন ধর্ম সচিব। এর আগে আগামী ১২ জুলাই থেকে হজ যাত্রীদেরকে সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নিয়ে সনদ নিতে হবে।

বঙ্গবন্ধু দ্বীপ হতে পারে আকর্ষণীয় স্থান

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে একটি নতুন দ্বীপের সন্ধান মিলেছে। দ্বীপটির নাম বঙ্গবন্ধু দ্বীপ। প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট নতুন এই দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। খুলনার মংলা উপজেলার দুবলার চর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত দ্বীপটি। ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’টি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান হতে পারে। তবে এর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও উদ্যোগ। তারপর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যথাযথ প্রচারণা। সমুদ্রগামী জেলেরা এ দ্বীপটির আবিষ্কারক হলেও ঠিক কতো সালে তারা প্রথম দ্বীপটি খুঁজে পেয়েছিলেন সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন তথ্য সূত্র ও জেলেদের কাছে থেকে জানা গেছে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস্য শিকারী ১৯৯২ সালে দু’জন জেলেকে নিয়ে কোন কারণে এ দ্বীপে অবতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি দ্বীপটির নামকরণ করেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং পরবর্তীতে তিনি সেখানে একটি সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে জেলেরা শুধু ট্রলার নিয়ে এ দ্বীপে গেলে ধীরে ধীরে জেলেদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু দ্বীপটি পরিচিতি পেতে থাকে। তবে জেলে সম্প্রদায়ের বাইরে দ্বীপটি সম্পর্কে তেমন একটা জানা-শোনা ছিলো না। এখন দ্বীপটি সম্পর্কে মানুষ জানতে পার

হাত হারানো সিয়ামকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার: শরীয়তপুরে পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে দুই হাত হারানো সিয়াম খানকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদেশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে এ অর্থ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহবুব শফিক। সঙ্গে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী সিফাত মাহমুদ। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। গত ৬ মে বিদ্যুত বিভাগের অবহেলা: শরীয়তপুরে কলেজছাত্রের দুই হাত কেটে ফেলা হল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমেও বিষয়টি ফলাও করে প্রকাশ হয়। প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে গত মে মাসে আদালতে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সিফাত মাহমুদ। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুলসহ অন্তর্বর্তী আদেশ দেন।

পাহাড়ে খাদ্যাভাব : লোকালয়ে হাতি, বানর ও সাপ

স্টাফ রিপোর্টার: পাহাড়ে মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি খাবারের অভাবে লোকালয়ে নেমে আসছে হাতি, বানর ও অজগরসহ নানা প্রাণী। চলতি বছর চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় থেকে প্রাণী নেমে আসার ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়ে প্রাকৃতিক বন নষ্ট হওয়ায় খাবারের খোঁজে লোকালয়ে আসছে বিভিন্ন প্রাণী। পাহাড়ি বনে বন্য প্রাণীর খাবারের সংস্থান করা না গেলে এই প্রবণতা বাড়তে পারে। এতে করে প্রাণিকূল হুমকির মুখে পড়বে বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ২৩ জুন বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের কোকদণ্ডী গ্রামে পাহাড় থেকে নেমে আসে একটি হাতি। গ্রামের পাঁচু মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা পুলক দেবদাস পাহাড়ের কাছেই আমাদের বাড়ি ও ফলের বাগান। আগে এখানে হাতি আসত না। এ বছর এখন পর্যন্ত ২৭ বার হাতি নেমেছে। কখনো দলে ছয়-সাতটা আবার কখনো একটা বা দুটো হাতি আসে। বাড়ির আশেপাশের গাছপালা ভেঙে, বাগানের কাঁঠাল, আনারস, কলা গাছ ও বাঁশ ঝাড় খেয়ে কয়েকদিন অবস্থানের পর আবার পাহাড়ে ফিরে যায় হাতির দল। পুলক দেবদাস বলেন, একবার নামলে দুই থেকে তিন দিন থাকে হাতি। কখনো কখনো বাড়ির উঠানেও এসে বসে। তবে এখানকার লোকজন বিরক্ত না করায় তারাও মানুষের তেমন ক্ষতি করে না। শুরুতে দুয়েকবার ভয় পেয়েছিলাম। এখন তেমন ভয় পাই না।

 

 

Leave a comment

Your email address will not be published.