চুয়াডাঙ্গা জালশুকা গ্রামের মিজানুরকে কুপিয়ে জখম আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড

 

ডিঙ্গেদহ প্রতিনিধি: পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে উপর্যুপরি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জালশুকার মিজানুর রহমান বরিকে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কেরু কোম্পানির মাঠে হেরিং রাস্তার পাশে। এ সময় মাঠে কাজের লোকজন আহত বরিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্মরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। এ ব্যাপারে আহত বরির ভাই মিলন জানান, ফুলবাড়ি গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে বাবলু কেরুর জমি লিজ নিয়ে কুমড়োর আবাদ করেছে। বাবলু চুয়াডাঙ্গায় থাকার কারণে বরিকে কুমড়োর জমিটি দেখাশোনার দায়িত্ব দেন। গতপরশু বুধবার বাবলুর কুমড়োর মধ্যে জালশুকা গ্রামের ছাত্তারের ছেলে চান মিয়াকে ঘাস কাটা অবস্থায় ধরে। এ সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে বরি চান মিয়াকে একটা চড় থাপ্পড় মারেন। এ ঘটনাটি বুধবার সন্ধ্যায় জালশুকা মোড়ে উভয়ের মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়ে গেছে। মিজানুর রহমান বরি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কেরু কোম্পানির মাঠের হেরিং রাস্তার পাশে চিত্রা নদীতে মাছ ধরে নদী থেকে উঠে আসার সময় রাস্তার পাশে চান মিয়াদের জমির পাশে ওত পেতে থাকা জালশুকা গ্রামের ছাত্তারের ছেলে চান মিয়া ও তার পিতা ছাত্তারসহ আরও কয়েকজন বরিকে ধরে কাঁচি দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে। এ সময় কিছু পথচারী মানুষ কুপিয়ে মেরে ফেললো বললে চিৎকার দিলে চান মিয়া ও তার পিতা ছাত্তারসহ কয়েকজন শ্যালোমেশিনের খালের মধ্যে বরিকে ফেলে রেখে চিত্রা নদী পার হয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পথচারীরা ও ভয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পাশের জমিতে কাজ করা একজন কৃষক খাদের মধ্য থেকে মারাত্মক আহত অবস্থায় বরিকে উদ্ধার করে বরির বাড়িতে মোবাইলফোনে খবর দেন। তার বাড়ির লোকজন এসে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন রবিকে। বরির মাথায়, কানে, হাতে ও পিঠে প্রায় ৫০টির মতো কোপের আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। স্থানীয়ভাবে রক্ত সংগ্রহ করে বরির শরীরে রক্ত দিলে ও অবস্থা ক্রমেই অবনতি দেখা দেয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সংবাদ পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশে সরোজগঞ্জ ক্যাম্পের এএসআই হাদিউজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *