সংসদ নির্বাচন আজ : ১৪৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৯০ প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার: উদ্বেগ-আতঙ্কর মধ্যে আজ রোববার দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় সংসদের ৩শটি একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার মধ্যে চুয়াডাঙ্গার দুটি ও মেহেরপুরের দুটিসহ দেশের ১৪৭টি আসনে এ ভোটগ্রহণ হবে। ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা ইতোমধ্যে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপিসহ তার নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। তারা গতকাল সকাল থেকে সারাদেশে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে। তাছাড়া অনির্দিষ্টকালের অবেরাধ তো চলছেই। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গতপরশু রাত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে ১০টার পর পরই শহীদ হাসান চত্ত্বরসহ অধিকাংশ এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তায় নেমে আসে শুনশান নীরবতা। কয়েকটি ককটেল বোমা বিস্ফোরণের শব্দে শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় মহাজোটের মধ্যে ১২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ৩৯০জন প্রার্থী বিভিন্ন প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর একটি বড় অংশ অর্থাৎ ১০৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। যার অধিকাংশই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত। এ নির্বাচনকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার এবং প্রধান বিরোধী দল বিএনপি গণতন্ত্র হত্যার নির্বাচন বলে অভিহিত করেছে।

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র রক্ষায় এবং ভোটের অধিকার প্রয়োগের জন্য ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিএনপি দলমত নির্বিশেষে নির্বাচন বর্জনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানায়। দুই দলের এই পরস্পর বিরোধী অবস্থানের কারণে নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে ১৫০টির মতো ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিসংযোগ-অবরোধ এবং হরতালের মধ্যেই ভোটগ্রহণের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। সেনাবাহিনী-ৱ্যাব-বিজিবি-পুলিশ-আনসার নির্বাচনী এলাকায় টহল জোরদার করেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিআইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমেদ স্বচ্ছ নির্বাচন হবে বলে দাবি করেছেন। তিনি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বিকল্প ব্যবস্থায় ওইসব কেন্দ্রে অথবা তার পার্শ্ববর্তী স্থানে ভোটগ্রহণ হবে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৯ জেলায় ভোট হবে। ভোট হচ্ছে না- চাঁদপুর, রাজবাড়ী, জয়পুরহাট, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলায়। এই জেলাগুলোর সব আসনেই প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। নির্বাচনী সামগ্রী প্রেরণ ও নজরদারীর জন্য পাবর্ত অঞ্চলের ৩ জেলার ৩৩ কেন্দ্রে ব্যবহার করা হবে হেলিকপ্টার। ১৮ হাজার ২০৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৫ ভাগই ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্বাচনে বিরোধী জোটের নাশকতার পাশাপাশি কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন পেশিশক্তি ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। বেশকিছু জেলাকে নাশকতা প্রবণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলো হলো- ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, শেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নেত্রকোনা, সাতক্ষীরা, যশোর, মেহেরপুর, খুলনা, ঝিনাইদহ, রাজশাহী, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নীলফামারী, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, নরসিংদী, গাইবান্ধা, হবিগঞ্জ, নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার। নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাড়ে চার লাখ সদস্যের বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সশস্ত্র বাহিনী ৫০ হাজার, পুলিশ ৮০ হাজার, ৱ্যাব সাড়ে আট হাজার, বিজিবি ১৬ হাজার, আনসার আড়াই লাখ ও কোস্টগার্ড ২০০। ভোটকেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকবে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ। মহানগর এলাকার বাইরের সাধারণ ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশসহ ১৪ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দুজন পুলিশসহ ১৪ জন দায়িত্বে থাকবেন। মহানগর এলাকার প্রতি কেন্দ্রে তিন পুলিশসহ ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পাঁচ পুলিশসহ ১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ গতকাল থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেছে, অবস্থান করবে ভোট গ্রহণের পরদিন পর্যন্ত। আনসার বাহিনী গত বুধবার থেকে দায়িত্বে আছে। আর সশস্ত্র বাহিনী ২৬ ডিসেম্বর থেকে দায়িত্ব পালন করছে। তারা মাঠে থাকবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। বিজিবি, কোস্টগার্ড, ৱ্যাব ও আর্মড পুলিশ ১ থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবে।

নির্বাচনে মোট ৯ কোটি ১৯ লক্ষ ৬৫ হাজার ৯৭৭ জন ভোটারের মধ্যে এবার ভোট দিবেন ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ জন। অর্থাত্ অর্ধেকের বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হবে। ১৪৭ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র হচ্ছে ১৮ হাজার ২০৮টি। আর ভোটকক্ষ ৯১ হাজার ২১৩টি। এ আসনগুলোতে ১২টি রাজনৈতিক দলেরসহ মোট ৩৯০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ভোটযুদ্ধে থাকছেন। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১২০ জন, জাতীয় পার্টি-জাপার ৬৫ জন, জাতীয় পার্টি-জেপি ২৭, জাসদ ২১, ওর্য়াকার্স পার্টি ১৬, বিএনএফ ২২, গণতন্ত্রী পার্টি ১, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ৬, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ৩, গণফ্রন্ট ১, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ১ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়াও ১০৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনে দায়িত্বে আছেন রিটার্নিং অফিসার ৫৯, সহকারী রিটার্নিং ২৮৭ জন, প্রিসাইডিং অফিসার ১৮ হাজার ২০৮, সহকারী প্রিজাইডিং ৯১ হাজার ২১৩, পোলিং অফিসার ১ লাখ ৮২ হাজার ৪২৬, ইলেকটরাল ইনকোয়ারি কমিটি ১০৩, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৭ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ২৯৪ জন। এছাড়া দুর্গম এলাকা বিবেচনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্বত্য তিন জেলার ৩৩টি কেন্দ্রে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের ২২টি সংস্থার ১০ হাজার ২০৫ জন, এবং অন্যান্য ৮টি সংগঠনের ৩ হাজার ১৩৬ জন পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। বিদেশীদের মধ্যে ভারত ও ভূটান এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে।

নির্বাচন হচ্ছে না ১৫৩ আসনে: নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৩ ডিসেম্বর প্রত্যাহারের শেষদিনে ১৫৪ আসনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলো না। ফলে স্ব স্ব আসনের রিটার্নি অফিসাররা প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন। এর মধ্যে হাইকোর্টের রায়ে কুমিল্লা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এএসএম কামরুল ইসলামের প্রার্থিতাকে বৈধ বলে ঘোষণা করে। ফলে ইসি ওই আসনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে এখন ১৫৩ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এই আসনগুলোর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ১২৭, জাতীয় পার্টি ২০, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক পার্টি-জাসদ ৩, ওয়ার্কার্সপার্টি ২ এবং জাতীয় পার্টি-জেপি ১ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। ফলে এসব আসনে আর নির্বাচন লাগছে না।

ফলাফল পর্যবেক্ষণে ১২টি দলকে ইসির চিঠি: আজ রবিবার অনুষ্ঠিতব্য দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পর্যবেক্ষণের জন্য অংশগ্রহণকারী ১২টি দলকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গত শুক্রবার রাতে কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এ চিঠিটি দলগুলোর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। চিঠিতে জানানো হয়, নির্বাচনের ফলাফল পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে ১২টি বুথ বসানো হবে। সকাল ৮টা থেকে শুরু করে ওই বুথগুলোতে প্রতিটি দলের প্রতিনিধিরা ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন। সেখান থেকে ফলাফলের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করতে পারবেন দলগুলোর দায়িত্বরত প্রতিনিধিরা।

ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে তত্পরতা: ইসি কর্মকর্তারা জানান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ভোটে অংশ নিতে গ্রাহকদের এসএমএস দিচ্ছে। বার্তাগুলো হচ্ছে- ভোট গণতান্ত্রিক অধিকার, নির্বাচনে ভোট দিয়ে আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠা করুন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখুন। নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে; নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। বরাবরের মতো এবারো ভোটের আগের দিন বিশেষ নম্বরে এসএমএস করে কেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানানোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ভোটকেন্দ্রনির্বাচনী সরঞ্জামের বিশেষ নিরাপত্তা: ভোটকেন্দ্র ও ভোটের সামগ্রিক মালামালের বিশেষ নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সব ভোটকেন্দ্রের চারদিকে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে। সীমিত করা হয়েছে সব ধরনের যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল। ভোট-কেন্দ্রের চারপাশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের টহলও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী সরঞ্জামের নিরাপত্তা বিবেচনায় আগামী সকালে ভোটগ্রহণের আগে স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকিতে তা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো হবে।

ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র স্থাপন: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসারদের থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোট গ্রহণ চলাকালে পরিস্থিতি প্রতিবেদন ও ভোটগ্রহণ শেষে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ করতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে একটি ‘ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশ কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়েছে। আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত এ কেন্দ্রের কাজ অব্যাহতভাবে চলতে থাকবে। এছাড়া রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরএমএস) পদ্ধতিতে ইন্টারনেটের মাধ্যমেও সারাদেশের ফলাফল সংগ্রহ করবে কমিশন। ইতোমধ্যে সারাদেশে রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এজন্যে সফটওয়ার বিতরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ নভেম্বর বর্তমান কমিশন রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাতের পর ২৫ নভেম্বর দশম সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এতে ৫ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। ২ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর তা যাচাই-বাছায়ের দিন ধার্য করা হয়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিলো ১৩ ডিসেম্বর। ১৪ ডিসেম্বর সব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয় রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক)। ১৫ ডিসেম্বর থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়ে চলে ৩ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত। ৩০০ আসনে ভোটকেন্দ্র ছিলো ৩৭ হাজার ৭০৮টি। আর ভোটকক্ষ ছিলো ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি।

Leave a comment

Your email address will not be published.