নৌকা প্রতীক প্রত্যাশীদের সাথে দলীয় প্রধানের সভা ২৪ নভেম্বর : শিগগিরই তফশিল

বিরোধীদলীয় জোট আন্দোলনে : ক্ষমতাসীনদের মধ্যে চলছে প্রার্থীতা চূড়ান্ত করার তোড়জোড়

স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ২৪ নভেম্বর বিকেল ৩টায় গণভবনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে দলীয় প্রধান ও সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনার সভা অনুষ্ঠিত হবে। আজ মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মনোনয়ন আবেদন ফরম জমা দেয়ার শেষ দিন। এদিকে আগামী সপ্তায় নির্বাচন কমিশন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। বিরোধীদলীয় জোট? আন্দোলনে।

আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক মৃণালকান্তি দাস জানান, শনিবার গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদীয় বোর্ডের সদস্য সচিব ও দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট সকলকে ২৪ নভেম্বরের সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগে প্রেসিডেন্টের পরামর্শ নিতে এ সপ্তায় বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজি রকিব উদ্দিন আহমেদ। ইসিসূত্র জানিয়েছে, আগামী সপ্তায় তফশিল ঘোষণার বিষয়ে প্রেসিডেন্টের পরামর্শ নেবেন সিইসি। তফশিল ঘোষণার দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরমধ্যে এর সিইসি’র ভাষণ দেয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা। এছাড়াও গতকাল শনিবার মনোনয়নপত্র ছাপানোর  জন্য  গভর্নমেন্ট প্রিটিং প্রেসকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সকল কমিশনার যাবেন বঙ্গভবনে। বঙ্গভবনে বৃহস্পতিবার চিঠি পাঠানোর বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ বলেন, আমরা নির্বাচন করতে  সার্বিকভাবে প্রস্তুত। আমাদের প্রস্তুতি জানাতে প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ করতে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। সাক্ষাতের জন্য আমরা কোনো সময় উল্লেখ করিনি প্রেসিডেন্ট যেদিন বলবেন সেদিন আমরা সাক্ষাৎ করতে যাবো। তফসিল প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা এখনও রাজনৈতিক সমঝোতার দিকে তাকিয়ে আছি। তবে তফশিলে কোনো তারিখ নির্ধারণ করে আমরা প্রেসিডেন্টের কাছে যাচ্ছি না। কারণ নভেম্বরে তফশিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক সমঝোতা হলে ডিসেম্বরে আমরা আবার তফশিল ঘোষণা করবো। সংবিধান অনুযায়ী তফশিল ঘোষণার ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে নভেম্বরের শেষ সপ্তায় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে হবে। প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ করে জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী  মোতায়েনের আবেদন জানাবে কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেছেন দশম জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া  হবে।

সেনাবাহিনী ছাড়া এতো বড় নির্বাচন করা সম্ভব নয়। ১৯৭৩ সাল থেকে সব জাতীয় নির্বাচনেই সেনাবাহিনী ছিলো। আমরা আশা করি এবারও তাদের সহযোগিতা পাবো।

এদিকে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আবেদন ইতোমধ্যেই জমা দেয়া হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে শাহরিয়ার কবীর গতকাল মনোনয়নফরম জমা দেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *