ঝড়ে নিহত ২০

 

স্টাফ রিপোর্টার: সকালের দিকে চুয়াডাঙ্গার আকাশে মেঘের ঘনঘটা ঘটলেও বৃষ্টি না ঝরিয়েই চলে গেছে উত্তরে। মেঘের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪১ থেকে নেমে গতকাল দাঁড়ায় ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নিচের তাপমাত্রা ছিলো ২৬ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে ভ্যাপসা গরমে ঘরে বাইরে সর্বস্তরেই অস্বস্তিকর অবস্থা ফুটে ওঠে। বাতাসে জলীয় বাতাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া দেদারছে ঝরেছে ঘাম। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস আর দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটে ১৮ দশমিক ০৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টি না হলেও নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, নওগাঁ, সিলেট ও টাঙ্গাইলের মির্জাপুরসহ বিভিন্নস্থানে কালবোশেখি ঝড়েনারী-শিশু ও বৃদ্ধসহ ২০ জন নিহত ও সহস্রাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। নিহতদেরমধ্যে নেত্রকোনায় ১০, সুনামগঞ্জে ৪, নওগাঁয় ৪, সিলেটে ১ ও টাঙ্গাইলেরমির্জাপুরে ১ জন রয়েছেন। ঝড়ের তাণ্ডবে প্রায় চার হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে যায়।বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিড়ে এসব এলাকায় বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। নেত্রকোনায় ক্ষতিগ্রস্তএলকায় বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

নেত্রকোনা সদর, বারহাট্টা, কলমাকান্দা, মোহনগঞ্জ ও মদনে রোববার মধ্যরাতে কালবোশেখি ঝড়ে ১০জন নিহত হয়েছেন। ওইসব এলাকায় অন্তত ৩ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। কয়েক মিনিটস্থায়ী ঝড়ে ওই সকল এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ৮০টিবৈদ্যুতিক খুঁটি ছাড়াও ৮ হাজার বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।ঝড়ের কারণে ধর্মপাশা, বিড়াই, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, জগন্নাথপুর উপজেলায় বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।এদিকেসিলেট ও সুনামগঞ্জে ৫ জন নিহত ও ২ শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। ঝড়ের তাণ্ডবেকয়েক হাজার ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশিরভাগউপজেলায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিদ্যুত সংযোগ। সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশাউপজেলায় কালবোশেখি ঝড়ে  ৪ জন নিহত ও ২ শতাধিক লোক আহত হয়েছেন।এছাড়ানওগাঁয় কালবোশেখি ঝড়ে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গতরোববার রাত ১১টার দিকেকালবোশেখি ঝড় শুরু হয়। এ সময় শহরের রজাকপুর মহল্লায় মসজিদের ইমাম আব্দুলআজিজ বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে, পত্নীতলায় উপজেলার শীতল গ্রামের কৃষক মাহমুদুলইসলাম ও বদলগাছী উপজেলার সোয়াশা গ্রামের গাছের ডাল ভেঙে পড়ে পিয়াস নামেএক শিশু নিহত হয়েছে।

 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *