চুয়াডাঙ্গা রেলপাড়ার বিশিষ্ট মৎস্যব্যবসায়ী কৃতী ফুটবলারের পিতা আমিনুল ইসলাম নিলুর ইন্তেকাল

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা রেলপাড়ার বিশিষ্ট মৎস্যব্যবসায়ী কৃতী ফুটবলারের  পিতা আমিনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার নিলু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে…..রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৪ বছর। মরহুম আমিনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার চুয়াডাঙ্গা রেলপাড়ার মরহুম হাজি মনসুর আলী জোয়ার্দ্দারের ৭ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্যে ছিলেন ২য়।

মরহুমের পরিবারসূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার নিলু চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় ফুটবল লীগে ভালো ফুটবল খেলতেন। পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশন সংলগ্ন মাছপট্টিতে মাছের আড়ৎদারী ব্যবসা করতেন। তার সমসাময়িক ফুটবলাররা হলেন- আশরাফ জোয়ার্দ্দার সাবু, আব্দুল ওয়াদুদ, শাফায়েতুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার প্রমুখ।

আমিনুল নিজে একজন ফুটবলার হিসেবে যেমন স্থানীয় লীগে সুনাম কুড়িয়েছেন, তেমনি তার ৩ ছেলে আরিব, ববিন ও রবিন জোয়ার্দ্দার কৃতিত্বের সাথে স্থানীয় লীগে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবলের বিভিন্ন লীগে সুনামের সাথে খেলেছেন। কিন্তু ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল ববিন জোয়ার্দ্দার ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক ছিনতাইকারীর চুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হন। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ১ মে ২০০৮ সালে ইন্তেকাল করেন। সেই থেকে ববিনের পিতা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর প্যারালাইজড হয়ে অসহনীয় জীবন-যাপন করছিলেন। গতকাল শনিবার দুপুর ১টা ৩৪ মিনিটে আমিনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার রেলপাড়ার নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল রাত ১১টায় রেলপাড়া রেললাইন সংলগ্ন জান্নাতুল বাকী কবরস্থানে জানাজা শেষে মরহুমের দাফনকার্য সম্পন্ন করা হয়।

উল্লেখ্য, মরহুম আমিনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার প্রেসক্লাব চুয়াডাঙ্গার সাবেক সভাপতি ইসলামী টেলিভিশনের চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি শরিফউদ্দীন হাসুর শ্বশুর। গতকাল আমিনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দারের মৃত্যু সংবাদ শুনে তার লাশের পাশে ছুটে যান চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. শাহজাহান মুকুল, সাবেক সভাপতি অ্যাড. আলমগীর হোসেন, অ্যাড. আব্দুল ওহাব, প্যানেল মেয়র সাইফুল আরিফ লিটু বিশ্বাস, কাউন্সিলর শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দারসহ বিশিষ্টজনেরা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *