চুয়াডাঙ্গার দু আসনের ৪ প্রার্থী জোরদার করছেন নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা

 

ভোটের আগেই মহাজয়ে মহাজোট

স্টাফ রিপোর্টার: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে দুজন করে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও দেশের ৩শ আসনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে না। ১৫১টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে ভোটগ্রহণ ছাড়াই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট।

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ১৫১ আসনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নেই। তাদের বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত ঘোষণা করে গতকাল শনিবার গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। নির্বাচিতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ১২৭, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ১৮, জাসদের ৩, ওয়ার্কার্স পার্টির ২ ও জাতীয় পার্টি-জেপির একজন রয়েছেন। বাকি আসনগুলোতে একাধিক প্রার্থী থাকায় আগামী ৫ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের গতকাল শনিবার নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আজ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। অবশ্য জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও তাদের বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থিতা বহাল রাখা হয়। চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুরের ৪টি আসনসহ অধিকাংশ আসনের প্রার্থীরাই তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন ও আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জাসদ নেতা এম সবেদ আলী। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক বর্তমান সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম শেখ। বিএনপিসহ অন্য দলগুলোর অংশগ্রহণ না থাকায় নির্বাচনী আমেজ তেমন নেই। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে গণসংযোগসহ নানামুখি প্রচরাণা দিন দিন জোরদার করছেন।

নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, সারাদেশের ৩৪০ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তাদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর সংখ্যা দেড়শ। আওয়ামী লীগের রয়েছে ৪৪ জন। এছাড়া জাতীয় পার্টি (জেপি) ১৫, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১, জাসদ (জেএসডি) ১৯, ইসলামিক ফ্রন্ট ১০, খেলাফত মজলিশ ২, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ৪, তরিকত ফেডারেশন ৬, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ৩, বিএনএফ ৬, ওয়ার্কার্স পার্টি ৭ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩৯ জন। এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট এক হাজার ১০৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ২৬০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৩৮টি আপিল আবেদন কমিশনে জমা পড়ে। কমিশন শুনানি শেষে ৪২ জনের আবেদন মঞ্জুর করে। সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে প্রার্থী রয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচশ। তবে চূড়ান্ত হিসাবে এসব পরিসংখ্যানের হেরফের হতে পারে বলে কমিশন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ১৫১ জন নতুন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও সাংবিধানিক কারণে ২৪ জানুয়ারির আগে নতুন সরকার গঠন করা যাবে না। কারণ, সংবিধানের ১২৩-এর ৩ (ক) ধারা অনুসারে নবম জাতীয় সংসদের মেয়াদ ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। নিবন্ধিত ৪০টি দলের মধ্যে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ১৬টি দল। এগুলো হচ্ছে- আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি), গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, গণফ্রন্ট, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারির নির্বাচনে ৪৮ এবং ২০০৭ সালের বাতিল হওয়া ২২ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আইনের তোয়াক্কা করছেন না নির্বাচন কর্মকর্তারা, এ নির্বাচনের বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা আইন ও রেওয়াজের লংঘন ঘটিয়েছেন বলে বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১৬(১) ধারা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা লিখিত আবেদন বা বাহকের মাধ্যমে নোটিশের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে নোটিশ গ্রহণ বা বাতিলের কোনো এখতিয়ার রিটার্নিং কর্মকর্তার নেই। এবার এ বিধান মানেননি অনেক রিটার্নিং কর্মকর্তা। জাতীয় পার্টির অনেক প্রার্থী তাদের মনোনয়পত্র বাতিলের আবেদন করলেও তা গ্রহণ করেননি তারা। অপরদিকে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে জোরপূর্বক মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না। এসব জটিলতার কারণে বরিশাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রংপুরসহ কয়েকটি জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারসংক্রান্ত রিপোর্ট কমিশনে পাঠাতে পারেননি বলে কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর ফলে সারাদেশের রিপোর্ট হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। অথচ ১১ ডিসেম্বর কমিশনের জারি করা পরিপত্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র বাতিলে লিখিত নোটিশ দিলে তা বাতিল বা ফেরত না দেয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতি নির্দেশনা দেয়া হয়। ওই পরিপত্রে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সংরক্ষিত প্রতীক ওই দলের প্রার্থীর অনুকূলে বরাদ্দ রাখার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয় কমিশন। গত বৃহস্পতিবার লাঙ্গল প্রতীক কোনো প্রার্থীকে বরাদ্দ না দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ। এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেবে না বলে জানিয়ে দেন তিনি। চিঠিতে বলা হয়, এ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকবে এবং সবার মনোনয়নপত্র বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই আগামী ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কাউকে লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ না দেয়ার আহ্বান জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। কিন্তু দলীয় প্রধানের চিঠি আমলে না নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। অথচ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রধানের চিঠি অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছিল কমিশন। আরপিওর ২০(১) ধারা অনুযায়ী জোটের শরিকদের একই প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে তফসিল ঘোষণার তিনদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তফসিল ঘোষণার ১৭ দিন পর ১৩ ডিসেম্বর জোটের শরিক তিন দলের ১০ প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার জন্য কমিশনে চিঠি দেয়া হয়। ওই চিঠি সংযুক্ত করেই শরিক দলের সদস্যদের প্রতীক দেয়ার জন্য ওই দিনই রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, ২৬ নভেম্বর আওয়ামী লীগ থেকে জোটগতভাবে নির্বাচন করার বিষয়টি কমিশনকে জানানো হয়েছে। এ দাবির সপক্ষে কোনো চিঠি তিনি দেখাননি।
আওয়ামী লীগের যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী : আওয়ামী লীগের যেসব প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তারা হলেন- ঠাকুরগাঁও-২ আসনে দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-২ আবুল কালাম মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী, রংপুর-৫ এইচএন আশিকুর রহমান, গাইবান্ধা-৫ ফজলে রাব্বী মিয়া, জয়পুরহাট-১ সামছুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল ওদুদ, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৪ এনামুল হক, রাজশাহী-৫ মোঃ আবদুল ওদুদ, নাটোর-১ আবুল কালাম, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম, নাটোর-৪ আবদুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩ ইসহাক হোসেন তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান, পাবনা-২ খন্দকার আজিজুল হক, পাবনা-৪ শামসুর রহমান ও পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খোন্দকার। যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, নড়াইল-১ মোঃ কবিরুল হক, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ মীর শওকত আলী, বাগেরহাট-৩ তালুকদার আবদুল খালেক, খুলনা-৪ এসএম মোস্তফা রশীদি, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৬ শেখ মোহম্মদ নুরুল হক, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-৫ শওকত হোসেন হিরন, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, পিরোজপুর-১ একেএমএ আউয়াল, সাতক্ষীরা-৩ আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ জগলুল হায়দার, পটুয়াখালী-২ আসম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৪ মোঃ মাহবুবুর রহমান, টাঙ্গাইল-১ আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৩ আমানুর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৪ আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বার হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ শওকত মোমেন শাহজাহান, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, ময়মনসিংহ-১ প্রমোদ মানকিন, ময়মনসিংহ-২ শরীফ আহমেদ, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ারুল আবেদীন খান, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মোমিন, নেত্রকোনা-৫ ওয়ারেসাত হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ সোহরাব উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ একেএম রহমত উল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক, ঢাকা-১৯ এনামুর রহমান, ঢাকা-২০ এমএ মালেক, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ রহমত আলী, গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম, ফরিদপুর-১ আবদুর রহমান, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মাদারীপুর-১ নূর-ই আলম চৌধুরী, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শরীয়তপুর-১ বিএম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ শওকত আলী, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, সুনামগঞ্জ-২ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সিলেট-১ আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৩ মাহমুদউস সামাদ চৌধুরী, সিলেট-৬ নরুল ইসলাম নাহিদ, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দ মহসীন আলী, মৌলভীবাজার-৪ আবদুস শহীদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এবিএম তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৭ আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-১ মহীউদ্দীন খান আলমগীর, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, চাঁদপুর-৩ দীপু মনি, চাঁদপুর-৪ শামসুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম, ফেনী-২ নিজামউদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ এইচএম ইব্রাহীম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনূর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ ইকরামুল কবির চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, লক্ষ্মীপুর-৩ একেএম শাহাজাহান কামাল, চট্টগ্রাম-১ মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৬ ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার-১ মোহাম্মদ ইলিয়াস, কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল।
জাতীয় পার্টির ১৭ জন : কুড়িগ্রাম-২ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, কুড়িগ্রাম-৩ একেএম মাঈদুল ইসলাম, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ নূরুল ইসলাম ওমর, ময়মনসিংহ-৪ রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৫ সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ নাসিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান, সিলেট-৫ সেলিম উদ্দিন, হবিগঞ্জ-১ মোহাম্মদ আবদুল মুনিম চৌধুরী, কুমিল্লা-২ মোহাম্মদ আমির হোসেন, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, লক্ষ্মীপুর-২ মোহাম্মদ নোমান ও চট্টগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
জাসদ : কুষ্টিয়া-২ হাসানুল হক ইনু, চট্টগ্রাম-৮ মঈন উদ্দীন খান বাদল ও ফেনী-১ শিরীন আখতার।
জেপি : পিরোজপুর-২ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।
ওয়ার্কার্স পার্টি : ঢাকা-৮ রাশেদ খান মেনন ও রাজশাহী-২ ফজলে হোসেন বাদশা। প্রতীক বরাদ্দ : আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ সব দলের প্রার্থীদের শনিবার প্রতীক বরাদ্দ করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা। বহুল আলোচিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের অনুরোধ সত্ত্বেও জাপার বৈধ প্রার্থীদের লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি এরশাদ কাউকে লাঙ্গল প্রতীক না দিতে চিঠি দিয়ে কমিশনকে অনুরোধ করেছিল। আজ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *