গলায় গামছা পেঁচানো মুমূর্ষু অবস্থায় শিশু উদ্ধার

আলমডাঙ্গা জামজামির ভোদুয়ার ঈদগা মাঠে খাঁদে দিবালোকে শিশুর গোঙ্গানী শব্দ

ভগ্নিপতি আলামিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ-মিষ্টি দেবে বলে ডেকে হত্যা অপচেষ্টা

আলমডাঙ্গা ব্যুরো/জামজামি প্রতিনিধি: আলমডাঙ্গা খাসকররার কাবিলনগরের ৭ বছরের শিশু সুজনকে জামজামি ভোদুয়ার মাঠ থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় শিশুর গোঙ্গানী শুনে স্থানীয়রা শিশুকে উদ্ধার করে। তাকে আলমডাঙ্গার হারদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাকে তারই ভগ্নিপতি আলামিন ডেকে নিয়ে ভোদুয়া ঈদগামাঠের অদূরবর্তী গর্তের মধ্যে হত্যার অপচেষ্টা চালায়। মারা গেছে ভেবে ফেলে রাখলেও অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে শিশু। তার নিকটজনেরা এরকমই অভিযোগ করেছে।

আলমডাঙ্গা ব্যুরো: ৭ বছরের শ্যালক শিশু সুজনকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে দুলাভাই আলামিন। আলমডাঙ্গার সোহাগপুর গ্রামে খালুর বাড়ি বসবাসকারী আলামিন মিষ্টি কিনে দেয়ার নাম করে সুজনকে মাঠে নিয়ে গলায় গামছার ফাঁস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাসূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার সড়াতলা গ্রামের মৃত দুলালের ছেলে আলামিন (২৫) ছোট বেলা থেকেই তার খালু আলমডাঙ্গার সোহাগপুর গ্রামের মুরাদ আলীর বাড়িতে বসবাস করে আসছে। কয়েকবছর আগে সে ধুলিয়া গ্রামে বিয়ে করেছিলো। বউ পছন্দ না হওয়ায় সে ওই বউকে তালাক দেয়। এ ঘটনার ৬ মাস যেতে না যেতেই সে আবার কাবিলনগর গ্রামের আতিয়ারের মেয়ে লাকী খাতুনকে বিয়ে করে। সম্প্রতি ২য় বউ লাকী খাতুনের গায়ের রঙ কালো এ অভিযোগ তুলে তাকেও তালাক দেয়ার অপচেষ্টা করে আসছিলো। বিষয়টি জানতে পেরে গত পরশু লাকী খাতুনের মা ছোট ছেলে ৭ বছরের সুজনকে সাথে জামাই আলামিনের নিকট বেড়াতে যায়। গতকাল সকালে অবুঝ সুজন দুলাভাই কেন তাকে মিষ্টি কিনে দেচ্ছে না বলে জ্বালাচ্ছিলো। এক পর্যায়ে আলামিন তাকে মিষ্টি কিনে দেয়ার কথা বলে পার্শ্ববর্তী মাঠে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুটা নির্জন স্থান দেখে মাঠের মধ্যে ৭ বছরের শিশু আলামিনের গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। সুজনের চিৎকারে সে সময় মাঠের কয়েকজন কৃষক ছুটে গিয়ে তাকে রক্ষা করে। এ হত্যা অপচেষ্টার পর থেকে আলামিন পলাতক। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিকে ও পরে হারদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *