আলমডাঙ্গার গাংনী ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সংঘর্ষ

 

স্টাফ রিপোর্টার: আলমডাঙ্গার গাংনী ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়নি। গতকাল বুধবার বিকেলে সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে সম্মেলন সম্পন্ন হয়। এ সম্মেলনে রোকনুজ্জামান টোকনকে সভাপতি ও আক্তার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। কমিটি গঠন নিয়ে মতবিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। এরদের মধ্যে একজনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।

এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন গতকাল বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। রকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। উদ্বোধক ছিলেন আলমডাঙ্গা যুবলীগের আহ্বায়ক আহান উল্লাহ। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলা যুবলীগের যুগ্মআহ্বায়ক আসাদুজ্জামান কবীর, যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের, শামীম আহম্মেদ সুমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী অরূণ, শাহীন রেজা, মনা, গাফফার, পিন্টু, মিজান, মোজাম্মেল, টুটুল, তারেক, মঈন, শিলন, সম্রাট, বুলবুল প্রমুখ।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে রোকনুজ্জামান টোকনকে সভাপতি, আকতার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক, ফারুক হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, নাজিরুল ইসলামকে যুগ্মসম্পাদক, মিলনকে প্রচার সম্পাদক, জাহিরুল ইসলামকে সিনিয়র সহসভাপতি ও মিটনকে সহসভাপতি করা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন গাংনী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্মআহ্বায়ক আবু তাহের।

এদিকে জানা গেছে, গতকাল সম্মেলনে কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। বেলা ২টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আসমানখালী হাইস্কুল চত্বরে যুবলীগের কমিটি গঠনেরসময় বন্দরভিটা পক্ষ ও শালিকা পক্ষের আওয়ামী-যুবলীগ নেতাকর্মীদেরমধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় গ্রুপেরকমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।আহতদের মধ্যে রয়েছেন, নেতা আবুল কালাম (৪৫), মহিবুল ইসলাম (৩২), সেকেন্দার আলী (২৭), শাহীন (২৮), রফিকুল ইসলাম (৩৫), ইকবাল হোসেন (২৩), রবিউল ইসলাম (৩৫)। তাৎক্ষণিকভাবে বাকিদের পরিচয় জানাযায়নি। বন্দরভিটার আবুল কালামকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *