৪ জুনের অপেক্ষায় আফ্রিদি

 

মাথাভাঙ্গা মনিটর: শহীদ আফ্রিদি খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। ১ জুন ইংল্যান্ডে শুরু হওয়া আইসিসির দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ওয়ানডে প্রতিযোগিতা পাকিস্তান ও ভারত পড়েছে একই গ্রুপে। সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়কের আশা, ভারতের বিপক্ষে জ্বলে উঠবেন তার দেশের বোলাররা। ৪ জুন তারিখটা এরই মধ্যে ক্যালেন্ডারে দাগ কেটে রেখেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। সেদিনই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী একে অন্যের বিপক্ষে মাঠে নামবে। আইসিসির সঙ্গে লভ্যাংশ নিয়ে দ্বন্দ্বে যদিও ভারতের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে, তারপরও এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই ম্যাচটির জন্য কিন্তু অধীর অপেক্ষা আফ্রিদির, ‘আর মাত্র এক মাস পরেই ভারত-পাকিস্তানের সেই জিবে জল আনার মতো ম্যাচটি। যেকোনো ক্রিকেটপ্রেমীর মতোই আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছি ম্যাচটির জন্য। এজবাস্টনে অনুষ্ঠেয় ম্যাচটি নিয়ে আমি খুবই রোমাঞ্চিত, সমৃদ্ধ ক্রিকেটীয় ইতিহাসের এই দুই দেশের মধ্যকার ম্যাচটি খুবই আকর্ষণীয় হবে বলে আমি মনে করি।’

আইসিসির প্রতিযোগিতাগুলোয় ভারতের বিপক্ষে সাফল্য নেই পাকিস্তানের। ওয়ানডে বিশ্বকাপে ১৯৯২ থেকে এ পর্যন্ত ৬ বার ভারতের কাছে হেরেছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অবস্থাও একই। তবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চিত্রটা পাকিস্তানের অনুকূলেই। এ পর্যন্ত তিনবারের মোকাবেলায় দুইবারই জিতেছে পাকিস্তান। ২০০৪ সালে এজবাস্টনেই ভারতকে হারিয়েছিলো পাকিস্তান। ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সেঞ্চুরিয়নে পাকিস্তান পায় দ্বিতীয় জয়টা। ব্যাপারটি জানেন আফ্রিদিও, ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আইসিসির একমাত্র প্রতিযোগিতা, যেখানে ভারতের বিপক্ষে আমাদের সাফল্য আছে। আমি আশা করি এবারও এজবাস্টনে ভারতের বিপক্ষে দারুণ জয় দিয়ে ভারতের বিপক্ষে এই রেকর্ডটাকে আরও সমৃদ্ধ করবে পাকিস্তান।’ আফ্রিদির প্রত্যাশা পাকিস্তানের বোলিং লাইনআপ নিয়েই। তিনি মনে করেন, এই বোলিং দিয়ে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিংকে ভালোই চ্যালেঞ্জ জানাবে পাকিস্তান, ‘আমি মনে করি, পাকিস্তানের বোলিং ভারতের ব্যাটিংকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। ইংলিশ কন্ডিশন বলেই আমার প্রত্যাশাটা বেশি। সব সময়ের মতোই ম্যাচটা হবে দুই দলেরই স্নায়ু পরীক্ষার। দুই দলই ম্যাচে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সর্বোচ্চ চেষ্টাই চালাবে।’
২০০৭ সালের পর ভারত ও পাকিস্তান কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি। তবে এই সময় প্রায় প্রতিটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাতেই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে। ২০১২ সালে ভারতের মাটিতে অবশ্য একটি দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজও খেলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *