রিও দে জেনেইরোর দেয়ালে আঁকা বিশ্বকাপের ছবি, তানিয়ে খেলছে বাচ্চারা।

 

বিশ্বকাপেরপরিধি অবশ্য এখন অনেক বড়। ২০১৪ বিশ্বকাপের জন্য বাছাইপর্বের ম্যাচই হয়েছে ৮০০টি। ১৯৫০বিশ্বকাপে এই সংখ্যাটা ছিলো মাত্র ২৭।২০১১ থেকে ২০১৪সাল পর্যন্ত ফিফা তাদের আয় ধরেছে ৩৮০ কোটি ডলার। এর ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশই আসছে বিশ্বকাপথেকে। বিশ্বকাপের এ আয়ের ৬০ শতাংশ আবার আসছে সম্প্রচার স্বত্ব থেকে। বাকিটা আসবে পৃষ্ঠপোষকদেরকাছ থেকে।১৯৫০ সালে বড়কোনো পৃষ্ঠপোষকও ছিলো না, আর বহির্বিশ্বে সম্প্রচারের পদ্ধতি আবিষ্কার হয়নি বলে সরাসরিসম্প্রচারের ব্যবস্থাও ছিলো না। দর্শক-সমর্থকদের দেখার জন্য জুলে রিমে ট্রফিটা রিওরএক অলঙ্কারের দোকানের জানালায় রাখা হয়েছিলো।এ বছরের বিশ্বকাপেরআগে বিশ্বকাপ ট্রফিটা ২৬৭ দিন বিশ্বভ্রমণ করেছে। কাচ ঘেরা ঘরে রাখা ট্রফিটি বিশ্বের৮৮টি দেশের মানুষের চোখ জুড়িয়েছে।১৯৫০ আর ২০১৪বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মিল, স্বাগতিকদের কাপ জয়ের স্বপ্ন। ১৯৫০ সালে শেষ ম্যাচে উরুগুয়েরকাছে হেরে ব্রাজিলের সেই স্বপ্নের সমাধি হয়েছিল। ব্রাজিলের জন্য সেই বিপর্যয় মানুষএখনো তা ভুলতে পারে না।ম্যাচটি হয়েছিলোমারাকানা স্টেডিয়ামে। সেই ম্যাচ আর স্টেডিয়াম ঘিরে ব্রাজিলে একটা শব্দযুগলই তৈরি হয়েগেছে-মারাকানা দুঃখ। ব্রাজিলের মানুষ এবার ভিন্ন সমাপ্তি চাইছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *