পঙ্কজ যেন বললেন পেয়েছি, উইকেট পেয়েছি!

মাথাভাঙ্গা মনিটর: দুদিকে ছড়িয়ে দিলেন দু হাত। মুখে উঠোনে এসে পড়া এক চিলতে রোদ্দুরের মতোহাসি। সে হাসি আনন্দের,নাকি স্বস্তির?পঙ্কজ সিঙের আনন্দ তো হয়েছেঅবশ্যই। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট উইকেট পাওয়া অবশ্যই আনন্দের। কিন্তু সেইউইকেটটি পেতে যদি ৬৯ ওভার বল করতে হয়, তাতে স্বস্তিটাই বেশি হওয়ার কথা।সাউদাম্পটনটেস্টে তো বিশ্ব রেকর্ডই করে ফেলেছিলেন। দু ইনিংস মিলিয়ে ১৭৯ রান দিয়েওকোনো উইকেট পাননি। টেস্ট অভিষেকে সবচেয়ে বেশি রান দিয়ে উইকেট না পাওয়ারএটাই নতুন রেকর্ড। আগে যে রেকর্ডটি ছিলো পাকিস্তানের সোহেল খানের।ওল্ডট্রাফোর্ডে এসেও ভাগ্য বদলাচ্ছিলো না। ২২ ওভার ধরে উইকেটশূন্য। অবশেষে নিজের২৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে চওড়া হাসি। জো রুটকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানালেনমহেন্দ্র সিং ধোনির। পঙ্কজকে দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো তার স্বস্তিটা।যেন তিনি বলছেন, পেয়েছি! আমি উইকেট পেয়েছি!’ রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পেরনায়কের মতো, ‘পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম!’ প্রথম উইকেট পেতে এতো অপেক্ষা!অথচ দ্বিতীয় উইকেট পেয়ে গেলেন ১৩ বল পরেই। এবার তার শিকার জস বাটলার। সাড়েছয় ফুট উচ্চতার ভারতীয় এ পেসার ক্যারিয়ারের শুরুতেই বুঝে গেলেনআন্তর্জাতিক ক্রিকেট বড় নিষ্ঠুর। অথচ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটনেয়ার পরই জায়গা মিলেছিলো জাতীয় দলে।পঙ্কজের উইকেট পাওয়ার দিনেইংল্যান্ডকে ৩৬৭ রানে অলআউট করেছে ভারত। তবে তাতেই ২১৫ রানের লিড হয়ে গেছেইংল্যান্ডের। এ প্রতিবেদন লেখার সময় দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেট ২ রানতুলেছে ভারত।

অভিষেকের অভাগারা: (টেস্ট অভিষেকে সবচেয়ে বেশি রান দিয়ে উইকেটশূন্য যারা) ০/১৭৯ পঙ্কজ সিং ভারত-ইংল্যান্ড সাউদাম্পটন ২০১৪। ০/১৬৪ সোহেল খান পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা করাচি ২০০৯, ০/১৬০ আকিব জাভেদ পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ওয়েলিংটন ১৯৮৯, ০/১৪৯ ব্রাইস ম্যাকগেইন অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা কেপটাউন ২০০৯।

Leave a comment

Your email address will not be published.