চুয়াডাঙ্গায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাঁতার প্রতিযোগিতা

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আয়োজনে বয়সভিত্তিক এ প্রতিযোগিতায় বালক-বালিকারা অংশগ্রহণ করতে পারবে। ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী বালকরা ‘ক’ গ্রুপ, ১৬ থেকে ২০ বছর বয়সীরা ‘খ’ গ্রুপ এবং ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী বালিকরা ‘গ’ গ্রুপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য থাকছে আর্কষণীয় উপহার ও এক মাসের সুইমিং সম্পূর্ণ ফ্রি। চুয়াডাঙ্গা শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, সাঁতার একটি স্বয়ংসম্পন্ন শরীর চর্চা যাতে, শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যেমন ক্যাডেট কলেজে ভর্তি, নেভি, বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন দফতরে চাকরির জন্য সাঁতার জানা আবশ্যক। এসব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখলেও নদী-মাতৃক এ বাংলাদেশে রয়েছে অসংখ্যা নদ নদী, খাল বিল, বাওড়, পুকুর ডোবা। সময়ে অসময়ে আমাদেরকে পানি পথে পাড়ি দিতে হয়। তাই অনাকাক্সিক্ষত বিপদ থেকে নিজেকে ও অন্যদেরকে রক্ষা করতে সাঁতার শেখার কোনো বিকল্প নেই। তাই আসুন আমরা সকলেই সাঁতার শিখি ও আমাদের সন্তানদের সাঁতার শেখায়।
চুয়াডাঙ্গা শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারী বলেন, আমরা অশিক্ষিত মাঝি ও শিক্ষিত নৌকাযাত্রীর নদী পার হওয়ার গল্প সম্পর্কে জানি। নৌকার যাত্রী শিক্ষিত পণ্ডিত ব্যক্তি হওয়া স্বত্বেও সাঁতার না জানায় তার জীবনের ষোল আনাই যে মিছে, সেটি সেদিন ঝড়-ঝাঁপটার আবহাওয়ার কবলে পড়ে মর্মে মর্মে অনুধাবন করেছিলেন প-িত ব্যক্তি। কারণ জানার আছে অনেক সুবিধা। শুধু শিক্ষিত হলেই চলবে না। শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেকে যে কোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত বিপদ থেকে রক্ষা করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে। তাই আসুন আমরা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত ভেবে তাদেরকে সচেতন করে তুলি ও তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলি সাঁতার শেখার মাধ্যমে।
সাঁতার প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, শিশু-কিশোর সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যালয় ও ০১৭১৩-৯০০৬৩৫ এবং ০১৭১৬৪৯৩২৬৬ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *