উইন্ডিজে আগে মানিয়ে নিতে চান মুশফিক : সাকিবের অভাব মেনেই উইন্ডিজ সফর

স্টাফ রিপোর্টার: ওয়েস্ট ইন্ডিজে সর্বশেষ সফরে বাংলাদেশের জয়ের নায়কছিলেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ছয় মাসেরনিষেধাজ্ঞার কারণে এবার সেই সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ই নেই। সাকিবের বিকল্প যেসহজে পাওয়া যাবে তা ভালোই জানা কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে আর মুশফিকুররহিমকে। আগামী বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশে দেশ ছাড়বেবাংলাদেশ। গতকাল রোববার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষবারের মতো অনুশীলনকরেন মুশফিকুর রহিমরা। অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে বলেন, সাকিবএকের ভেতরে দুই খেলোয়াড়। এ সময়ে ওর বিকল্প পাওয়া কঠিন। তবে আমাদের যথেষ্ট খেলোয়াড়রয়েছে,খেলার পরিকল্পনা মাথায় রেখে তাদের আমরা নির্বাচন করেছি।সাকিবের অভাব অনুভব করবেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। দলের সেরা পারফরমারকেছাড়াই খেলতে হবে; তাই এখন আর কে আছে কে নেই তা নিয়ে ভাবতে রাজি নন তিনি।সাকিব থাকলেই যে সবাই ‘রিলাক্স’ হয়ে যেতো তা নয়। এমন নয় যে, সবকাজ ও একাই করবে। ক্রিকেট কিন্তু একজনের খেলা না। আমাদের মতো দলেকে তিন-চার জনকে ভালোপারফর্ম করতেই হয়।
কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সবসিরিজে জয়ের লক্ষ্য বেধে দিয়েছেন। তবে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম শুরুতেই তানিয়ে ভাবতে চান না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ গিয়ে আগে স্থানীয় ‘কন্ডিশনের’ সাথে মানিয়ে নেয়ার ওপরই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। আর মানিয়ে নিয়ে ভালোক্রিকেট খেলতে পারলে বেশ কয়েকটি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।ওয়েস্ট ইন্ডিজে দুটি টেস্ট,তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।আগামী বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ। গতকাল রোববারমিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষবারের মতো অনুশীলন করেন মুশফিকরা।অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে আমাদেরওদের আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নেয়ার সুযোগ আছে। আগেও সেখানে খেলেছি তাই কিছুটা ধারণাআছে। তবে সব কিছু নির্ভর করে ওদের ওখানে গিয়ে কেমন খেলবো তার ওপর।
প্রধান কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহের মতোমুশফিক সরাসরি সিরিজ জয়ের কথা বলেননি। আপাতত তারলক্ষ্য ধারাবাহিক ভালো ক্রিকেট খেলা।প্রতিটি সিরিজেই আমাদের লক্ষ্য থাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলার। ভালো খেললেযে কোনো সংস্করণে হোক না কেন জেতা সম্ভব। আমাদের সবকিছু যদি ঠিক মতো হলে অনেকগুলো ম্যাচজেতার সুযোগ আসবে আর আমাদের সেগুলো কাজে লাগাতে হবে।টি-টোয়েন্টিবিশ্বকাপে আফগানিস্তান ও নেপালের বিপক্ষে ছাড়া আর এ বছর কোনো জয় নেই বাংলাদেশের। তবেপেছনে তাকাতে চান না মুশফিক,সামনের ম্যাচগুলোতে ভালো খেলে চলতি বছর স্মরণীয় করে রাখারলক্ষ্য তার।২০০৯ সালে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট ও ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিলো বাংলাদেশ। সেই স্মৃতিএবারো ভালো খেলতে অনুপ্রাণিত করবে মুশফিকদের।সে সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটা অন্যরকম ছিলো। তবে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছিলাম বলেই জিতেছিলাম।এবার ওদের দলটা আগের চেয়ে শক্তিশালী। তবে ভালো ক্রিকেট খেললে আপনি যেখানেই খেলেন নাকেন যেকোনো দলকে হারানো সম্ভব।দেশেরবাইরে বাংলাদেশের রেকর্ড খুব একটা ভালো হয়। ইংল্যান্ড,অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকারমতো উইকেট না হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজে বাউন্সি উইকেট থাকবে বলে মনে করছেন অধিনায়ক।ওদের বিপক্ষে খেলার জন্য আমরা কিছু পরিকল্পনা করেছি। ওদের হারানোর লক্ষ্য নিয়ে আমরাপরিকল্পনা সাজিয়েছি।আল-আমিন হোসেন,তাসকিন আহমেদের মতো অনেকের জন্য এটাই হবে দেশের বাইরে প্রথম সিরিজ।তাদের জন্য শুভ কামনাই করলেন অধিনায়ক।বিজয় (এনামুল হক),আল-আমিন,তাসকিন সবাই নতুন হিসেবে ভালো খেলছে। তাদের জন্য এটা বড়একটা সুযোগ। দলে বেশ কিছু ভাল ব্যাটসম্যান আছে;আমাদের বোলারদের সুযোগ থাকবে।

Leave a comment

Your email address will not be published.