দেশি টুকরো

আজমির শরিফ গেলেন আইভি

স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আজমির শরিফের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে মেয়র ঢাকা ত্যাগ করেন বলে তার ছোট ভাই আহাম্মদ আলী রেজা রিপন নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মেয়র আইভির সঙ্গে পরিবারের নিকটাত্মীয়রা রয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি নগরীর ফুটপাতে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সমর্থকদের সঙ্গে স্থানীয় এমপি শামীম ওসমানের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে মেয়র আইভি, সাংবাদিকসহ অর্ধশত মানুষ আহত হন। পরে গত ১৮ জানুয়ারি নগরভবনে দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন মেয়র। তাকে দ্রুত রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে গত ২৩ জানুয়ারি বাড়ি ফিরে আসেন। এর তিনদিন পরেই শুক্রবার আজমির শরিফ সফরে গেলেন।

ভুয়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেজে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টার: ভুয়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেজে গতকাল শুক্রবার নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ এবং এ কাজে সহযোগিতা করার অভিযোগে ৩জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাগুরা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্তকর্তা আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ কারাদণ্ড প্রদান করেন।  দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার আবালপুরের ভুয়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সাহেব আলী এবং তাকে সহায়তাকারী একই গ্রামের সাফায়াত হোসেন ও শহরের পুলিশ লাইনপাড়ার শিমুল  হোসেন। এদের মধ্যে সাহেব আলীকে ২ মাস ও অপর ২জনকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সরকারি একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের অধীনে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় মাগুরা শহরের স্টেডিয়াম পাড়া মহিলা মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনাটি ঘটে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মাগুরা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্তকর্তা আবু  সুফিয়ান জানান, সাহেব আলী সরকারি একটি খামার একটি প্রকল্পের মাঠ সহকারী পদের একজন পরীক্ষার্থী। সে নিজেকে সম্পূর্ণ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিচয় দিয়ে পরীক্ষা দেবার জন্য সাফায়াত হোসেনকে শ্রুতি লেখক হিসাবে মনোনীত করে। সরকারি নিয়মানুযায়ী যে যোগ্যতার পরীক্ষা তার চেয়ে কর্ম যোগ্যতায় শিক্ষাথীকে শ্রুতি লেখক হিসাবে মনোনয়ন দিতে হয়। সাহেব আলী এক্ষেত্রে সাফায়াতকে পাবনা জেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র দেখিয়ে সনদ জমা দেয়। কিন্তু আসলে সাফায়াত মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র। এছাড়া সাহেব আলী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নয়। সে দেখতে পায়। কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবার সময় দায়িত্বরতদের কাছে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়লে তারা জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমানকে বিষয়টি জানান। জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে এসে এটির তদন্তকালে সাহেব আলী ও সাফায়েত তাদের দোষ স্বীকার করে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *