দামুড়হুদা কে.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখন দামুড়হুদা মডেল পাইলট হাইস্কুল

0
38

বিদ্যালয়টি শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি

 

দামুড়হুদা অফিস: দামুড়হুদা উপজেলা সদরের মাথাভাঙ্গার তীরে অবস্থিত কেডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখন দামুড়হুদা পাইলট মডেল হাইস্কুল রুপান্তরিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়টি শতবর্ষে পদার্পন করেছে। শতবর্ষ উদযাপন করার লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি হাতে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলা সদরের দশমীপাড়ায় মাথাভাঙ্গা নদীর তীর ঘেষে ৩ দশমিক শূন্য ৩ একর জমির ওপর অবস্থিত দামুড়হুদা পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি শতবর্ষে পদার্পন করেছে। বিদ্যালয়টির শতবর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে এলাকাবাসী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

জানা যায়, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো একশ বছর আগে এলাকার তৎকালীন প্রভাবশালী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী কালিদাস কুণ্ডুর একান্ত উদ্যোগে। তাই প্রতিষ্ঠাতার নাম অনুসারে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়েছিলো কে.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। আর এ প্রতিষ্ঠানটির জন্য জমি দান করেন পুর্নেন্দ চক্রবর্তী। ১৯১৩ সালের ১ জানুয়ারি এ ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠার দিক থেকে এটি উপজেলার দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয়। মি. আশুতোষ দত্ত কে.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তথা বর্তমান দামুড়হুদা পাইলট মডেল হাইস্কুলের প্রথম প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসক বিদ্যালয়টির প্রথম সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।

অত্র এলাকার শিক্ষাপ্রসারে বিদ্যালয়টির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হয়ে আজ অনেকেই দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে এলাকার মুখ উজ্জ্বল করছেন। তৎকালীন সময়ে ব্যবসা বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার থাকার কারণে দামুড়হুদা ছিলো বৃহত্তর কুষ্টিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র। অবিভক্ত বাংলার নদীয়া জেলার একটি মহকুমা সদর হিসেবে দামুড়হুদাকে প্রস্তাব করা হয়েছিলো সে সময়ে। আর তাই প্রায় দেড় বছর ধরে দামুড়হুদায় মহকুমা সদরের অস্থায়ী কার্যালয় করে কার্যক্রম পরিচালিত হতো। সেই দামুড়হুদা আর আজকের দামুড়হুদার মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকলেও এটাই অতীত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০১১ সালে দামুড়হুদা মডেল পাইলট হাইস্কুলে রুপান্তরিত হয়। সেইসাথে নির্মাণ করা হয় দৃষ্টিনন্দন তিনতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন। বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি অ্যাড. আব্দুল কুদ্দুস ও প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। দু দিনব্যাপি অনুষ্ঠানে প্রথমদিন ৱ্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে এবং ২য় দিন অনুষ্ঠিত হবে জমকালো সাংকৃতিক অনুষ্ঠান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here