চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর ও ঝিনাইদহসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষির্কী : উৎসবের আমেজ

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি আদায়ের অঙ্গীকার

 

বহুভাগে বিভক্ত দলীয় নেতাকর্মীদের পৃথক আয়োজনের মাঝে পুলিশি তৎপরতা : শেষ পর্যন্ত ঘটেনি অপ্রীতিকর ঘটনা

 

মাথাভাঙ্গা ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর ও ঝিনাইদহসহ সারাদেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে বিএনপির একাধিক অংশ পৃথকভাবে প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর কর্মসূচি পালন করে। চুয়াডাঙ্গা বিএনপি এখন বহুভাগে বিভক্ত। পৃথক পৃথকভাবে শোভাযাত্রা সভা সমাবেশ করলেও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ কয়েকটি স্থানে ব্যারিকেড গড়ে তোলায় কোনো অংশই অন্য অংশের এলাকা মাড়ায়নি। যেতে চাইলেও পারেনি। ফলে অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর রকমারি আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির কার্যালয় শহীদ আবুল কাশেম সড়কের শেখপড়া তথা বালিকা বিদ্যালয়ের বিপরীতে। সেখানে সকাল থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা সমবেত হতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিছিল শোভযাত্রা বের করে। নেতৃত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাজি মো. মোজাম্মেল হক। অপরাংশের নেতা তথা জেলা বিএনিপর একাংশের সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুহা. অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস অবশ্য গতকাল তার দলীয় কার্যালয় কেদারগঞ্জে মোড়ে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না রেখে তিনি অবস্থান নেন শাহীদ হাসান চত্বরে। শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ হাসান চত্বরে অবস্থান নিলে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড শোভাযাত্রা নিয়ে শহীদ হাসান চত্বরে সমবেত হয়। লোকারণ্য হয়ে ওঠে শহীদ হাসান চত্বর। সাড়ে ১১টার দিকে এ অংশ শোভাযাত্রা নিয়ে রেলবাজারের দিকে রওনা হলে নিউমার্কেটের সামনেই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। ফলে অহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি শহীদ হাসান চত্বর হয়ে কোটরোর্ড ধরে কেদারগঞ্জস্থ এ অংশের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সমবেত হয়। জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রাটি তার বাড়ি সংলগ্ন তথা ১ নং নং পানির ট্যাঙ্কের নিকট থেকে শোভযাত্রা বের করে। বেলা ১২টার দিকে শোভযাত্রাটি বের করা হলে আইনজীবী সমিতির নিকট পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। ফলে তার সমর্থীতি দলীয় নেতাকর্মীরা শেষ পর্যন্ত ফিরে যায় তাদের কার্যালয়ে। বিএনপি নেতা লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে তার সমর্থিত দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকেরা সিনেমাহলের নিকটস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। পৌনে ১১টার দিকে শোভযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি রূপছায়া সিনেমাহলের নিকট থেকে বের হয়ে কোটমোড়ে হয়ে ঘুরে ফের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সমবেত হয়।

2nd

অপরদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী দুজন কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মাহমুদ হাসান খান বাবু এবং জেলা বিএনপির একাংশের সিনিয়র সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোখলেছুর রহমান তরফদার টিপু। মাহমুদ হাসান খান বাবু জীবননগরের উথলীতে বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেন। সেখানে তিনি বক্তব্য রাখেন। অপরদিকে ইঞ্জিনিয়ার মোখলেছুর রহমান তরফদার টিপুর নেতৃত্বে দর্শনায় বিশাল আয়োজন করা হয়। আজ এবং আগামীকাল চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি হাজি মোজাম্মেল হক তার নির্বাচনী এলাকা তথা চুয়াডাঙ্গা-২ এলাকায় প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ঢাকা অফিস জানিয়েছে, জাতীয় ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন, মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ, পুষ্পমাল্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি আদায়ের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানান দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষে শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়ার মাজার প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। খালেদা জিয়া বেলা সাড়ে ১১টায় মাজারে পৌঁছান। এ সময় তার সাথে ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আ.স.ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, ভাইস-চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, আবদুল্লাহ-আল নোমান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহজাহান ওমর, ওসমান ফারুক, শামসুজ্জামান দুদু, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, আবদুস সালাম, খায়রুল কবির খোকন, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল প্রমুখ। পরে বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলো নিজ নিজ দলের পক্ষে পৃথকভাবে মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রোববার চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি দিনব্যাপি ব্যাপক কর্মসূচি পালন করে। সকাল ৬টায় দলীয় অফিসের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করা হয়। বেলা ১২টার দিকে বর্ণাঢ্য ৱ্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় অফিসের সামনে এক সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা, থানা, পৌর বিএনপির ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিত দলীয় অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য হাজি মো. মোজ্জাম্মেল হক। দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি এম জেনারেল ইসলাম। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দলীয় অফিসে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা শহরের আসতে থাকেন। শ শ মোটরসাইকল দলীয় অফিসের সামনে পৌঁছুলে যানজটের সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীকে যানজট নিরসনে বেশ হিমশিম খেতে দেখা যায়। এ সময় ব্যান্ডের তালে তালে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ করতে দেখা যায়।

এদিকে বেলা ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি হাজি মো. মোজ্জাম্মেল হকের নেতৃত্বে ৱ্যালিটি দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে রেলবাজার ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে ফিরে এসে জেলা বিএনপির সহসভাপতি আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলুর সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাজি মো. মোজ্জাম্মেল হক। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। এ সরকার সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের ব্যর্থতা ঢাকতেই এবং নির্বানে নিশ্চিত পরাজয়রে ভয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বান না করে দলীয় সরকারের অধীনে প্রশাসনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে আগামী দিনের আন্দোলনের সংগ্রামের সকল প্রকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সকল পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারণকে অংশগ্রহণের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। সেই সাথে বিএনপর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উপস্থিত হয়ে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করায় সকল নেতাকর্মীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি এম জেনারেল ইসলাম, যুগ্মসম্পাদক অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলা, শেখ সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. আ.স.ম আব্দর রউফ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হাজি শওকত আলী, সদর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. শামীম রেজা ডালিম, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মন্টু, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হক মালিক মজু, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুস সালেহীন লিটন, আলমডাঙ্গা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, আলমডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান পিন্টু, দামুড়হুদা থানা বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী শাহ, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, দর্শনা পৌর বিএনপির সাধারণ মহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান বুলেট, জীবননগর থানা বিএনপর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবির, সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব উদ্দিন গাংনী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল রহমান রেজু, কতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেহালা ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আসিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা যুবদলের যুগ্মসম্পাদক মোকারম হোসেন, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক সাবু তরফদার, জেলা জাসাসের সভাপতি শহিদুল হক বিশ্বাস, জেলা স্বোচ্ছাসেবকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেছুজ্জামান মোখলেছ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুর উর জামান সিজার, সিনিয়র যুগ্মআহ্বায়ক এম তালহা, যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুরুল জাহিদ, রাজিব খান, সুজন মালিক, তৌফিক খান, জেলা ওলামাদলের সভাপতি ফজলুর রহমান, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রণ্টের সভাপতি সুশীল কুমার, সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন অধিকারীসহ জেলা, থানা পৌর, ইউনিয়ন বিএনপির ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি একাংশ বর্ণাঢ্য ৱ্যালি, শোভাযাত্রা, সমাবেশ, লাঠি খেলা ও বাদ্যযন্ত্র বজানোর মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। সকাল ৬টায় কেদারগঞ্জস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বেলা ১১টায় শহীদ হাসান চত্বরে মুক্তমঞ্চে থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি একাংশের সভাপতি মুহা. অহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের নেতৃত্বে শহীদ হাসান চত্বর থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে শহীদ আবুল কাশের সড়ক যেতে চাইলে প্রিন্সপ্লাজার নিকট পুলিশের বাধায় শহীদ হাসান চত্বরে ফিরে সমাবেশ করেন। পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মুহা. অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাড. এমএম শাহাজাহান মুকুল, হাজি মজিবুর রহমান, সহসভাপতি ও জীবননগর পৌর মেয়র হাজি নওয়াব আলী, খাজা আবুল হাসনাত, আব্দুল হালিম হিরু, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, রবিউল ইসলাম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক রউফুন নাহান রিনা, দপ্তর সম্পাদক আবু আলা সামসুজ্জামান, আইন বিষয়ক অ্যাড হেদায়েত হোসেন আসলাম। প্রধান অতিথি বলেন, এই জালেম সরকার পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে দেশের একটি মীমাংসিত ইস্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে দেশকে একটি সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দেশের ৯২ ভাগ মানুষের গণদাবিকে উপেক্ষা করে সরকার মূলত একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কয়েমের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। যা কখনই দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা শহরবাসীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ৱ্যালিতে জেলা, থানা, পৌর, ইউনিয়ন ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির একাংশের সাধারণ সম্পাদক ভাংবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন, জুড়ানপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী, পদ্মাবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের মণ্ডল, নতিপোতা ইউপি চেয়ারম্যান, মনিরুজ্জামান মনির, বেগমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপি একাংশের সিনিয়র সহসভাপতি আওরঙ্গবেজ বেল্টু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ জোয়ার্দ্দার ছটি, সদর উপজেলা বিএনপি একাংশের সাংগঠনিক সম্পাদক হাজি আব্দুল খালেক, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, প্রচার সম্পাদক নুর গনি অর্থবিষয়ক সম্পাদক আরিফ হোসেন সোনা, জীবননগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা হক রিনি, জেলা যুবদলের আকাংশের আহ্বায়ক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, সদস্য সচিব সাইফুর রশিদ ঝন্টু, দর্শনা পৌর বিএনপি একাংশের সভাপতি রহম আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল ইসলাম খোকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের একাংশের আহ্বায়ক হাজি আব্দুল মান্নান, যুগ্মআহ্বায়ক হাবিবুর রহমান শেখন, জেলা ওলামাদলের একাংশের আহ্বায়ক মাও. আনোয়ার হোসেন, যুগ্মআহ্বায়ক হাফেজ মাহবুবুল আলম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্মআহ্বায়ক শাজাহান খান, জেলা শ্রমিকদলের একাংশের আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, শঙ্করচন্দ্র ইউপি বিএনপির একাংশের নুর নবী সাদমানি, সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, আলুকদিয়া  ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের সভাপতি ইবাদত হোসেন, মোমিনপুর ইউনিয়ন বিএনপি একাংশের সভাপতি ওয়াহেদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, তিতুদহ ইউনিয়ন বিএনপি একাংশের সভাপতি মশিউর রহমান মিলন, পদ্মবিলা ইউনিয়ন বিএনপি একাংশের সাধারণ সম্পাদক মুসুদুর রায়হান কাজল, খাদিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি একাংশের সভাপতি সেরেগুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা যুবদলের একাংশের আহ্বায়ক মহাবুল হক প্রমুখ।

পতাকা উত্তোলন, বণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভার মধ্যদিয়ে চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে শহরের সিনেমা হল সড়কস্থ বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন- জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এবিএম হাসান হাসু। উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলী হোসেনসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

পরে বেলা ১১টার দিকে দলীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন লে. কর্নেল (অব.) কামরুজ্জামান। শোভাযাত্রাটি চুয়াডাঙ্গা শহরের কলেজ রোড, মাছপট্টি, রেলবাজার, প্রেসক্লাবসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে। এবিএম হাসান হাসুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ইয়ুথ  ফোরামের উপদেষ্টা বিএনপি নেতা সৈয়দ কামরুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক সরদার আলী হোসেন, প্রচার সম্পাদক অ্যাড. আব্দুল ওহাব মল্লিক, সহপ্রচার সম্পাদক রেজাউল করিম মুকুট, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মহসিন আলী বিশ্বাস, বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান শাহজালাল ব্যানা, শহর আলী ও যুবদল নেতা মফিজুর রহমান মনা। উপস্থিত ছিলেন- যুবদল নেতা সৈয়দ শরিফুল আলম বিলাস, তানজিলুর রহমান, রাজ্জাক, মনিরুজ্জামান লিপটন, কাজল, মিলন, রনি, দিপু, আলমগীর কবির, সাদী, আলাউদ্দীন আলা,মালেক, সিরাজ, আপেল, লিয়াকত, রাশিদ, টিপু, লাল্টু, কুদ্দুস, মান্নান মেম্বার, একরামুল হক, মহিলাদল সভানেত্রী মমতাজ বেগম সন্ধ্যা, দোলেজান নেছা ডলি ও রাহিমা খাতুন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোর্টমোড়স্থ কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য ৱ্যালি বের করা হয়। ৱ্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কোর্টমোড়ে সংক্ষিত আলোচনাসভার আয়োচন করা হয়। সমাবেশে সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আইনুল হক পচা, জেলা বিএনপি নেতা আরশেদ আলী কালু। জেলা তৃণমূল দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক আবু, জেলা মৎস্যজীবীদলের সাধরণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম ওহিদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ২ নং ওয়ার্ড সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক পিন্টু মিয়া, ৮ নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দীন, ৩ নং ওয়ার্ডের সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু, জীবননগর থানা বিএনপির মৎস্যজীবীদলের আহ্বায়ক সোহাগ মেম্বারসহ অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ।

আলমডাঙ্গা ব্যুরো জানিয়েছে, সকাল ৭টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন যথাক্রমে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু ও সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইফুল ইসলাম। সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে দেশ, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইসরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেখ সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান পিন্টু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল হক রিজু, সাবেক চেয়ারম্যান আসিরুল ইসলাম সেলিম, উপজেলা কৃষক দলের সারাধণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান হাসান, হাজি ইফতেখারুজ্জামান লুডু খান। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন- বিল্লাল হোসেন, মহিনুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ তোতা, আলি হোসেন, ডাক্তার আলতাফ হোসেন, কামাল হোসেন, লিয়াকত আলী, আমজাদ হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক ফিরোজ ইফতেখার, যুগ্মআহ্বায়ক এমদাদ হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্মআহ্বায়ক মিল্টন মল্লিক, নাসির উদ্দিন, মাগরিবুর রহমান, গোলাম হোসেন, অহিদুল ইসলাম বাবু, ফারুক হোসেন, আব্দুল খালেক, মুকুল, আব্দুল হান্নান, মফিজ উদ্দিন, আক্তার হোসেন, জমির উদ্দিন, প্রকৌশলী রেজাউল হক, জিল্লুর রহমান ওল্টু, মহির উদ্দিন, একরামূল হক বুলু, হাজি আবু মুসা, আব্দুর রশিদ, শওকত খান, শরিফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন বকুল, গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, শওকত খান, রহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, রেজাউল হক, হাফিজুর রহমান চমক, শ্রী মিলন দাস, মামুন, আলতাব হোসেন, জসিম উদ্দিন, আলি আকবর, শেখ উজ্জল, ক্যাপ্টেন, রকি, মামুনুর রশিদ, চিনির উদ্দিন, জর্ডেন, শোয়েব, বোরহান উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম লাল্টু, ছাত্রদল নেতা তৌফিক খান, ডালিম, সৈয়দ লিমন, শওকত ওসমান,  রহিত, বাপ্পী, আলা, সাদ্দাম, সজিব, মুন্নি, শান্ত, সুইট, জনি, সেলিম, রুবেল, তনু, লিমন মল্লিক, শাহাবুল, শুভ, সাগর, রবিউল, তরিকুল, রফিকুল, জিগালা, লিটন, শামীম, কিতাব মল্লিক প্রমুখ।

বেগমপুর প্রতিনিধি জানিয়েছে, তিতুদহ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শরিফ উদ্দিনের নেতৃত্বে গতকাল বিকেল তিনটার দিকে মোটরসাইকেল ও আলমসাধুর শোডাউনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হাসান খান বাবুর জীবনগরের উথলী মহাবিদ্যালয়ের সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন- তিতুদহ ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোকবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম টোটন, বিএনপি নেতা রেজাউল হক, বাবুল, রুনু, আতিয়ার রহমান, শিমুল, আহাদ আলী, লতিব, খায়রুল ইসলাম, রিপন, বাবুল আকতার, শরিফুল ইসলাম, আহাদ আলী, শিমুল, জহির, একলাছ, মিটন, মুরাদ, মনি মেম্বার, কামাল, মোশারেফ, খাজা, যুবদল নেতা সাগর হোসেন প্রমুখ।

দামুড়হুদা অফিস জানিয়েছে, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৱ্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সকাল ১০টায় দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন যুবদলের আহ্বায়ক এসএম মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু। বিকেল চারটায় দলীয় কার্যালয় থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মনিরুজ্জামান মনিরের নেতৃত্বে ৱ্যালি বের হয়। ৱ্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির (একাংশ) সভাপতি অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, যুবদলের আহ্বায়ক এসএম মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের যুগ্মআহ্বায়ক সাজাহান, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনিছুজ্জামান, মৎস্য দলের আহবায়ক রহিদুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, বুদো, আক্কাস, তরুণ দলের আহবায়ক আশরাফুল হক, আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আ. খালেক মেম্বার, আয়নাল হক, সিরাজুল ইসলাম, যুবদল নেতা সাইফুল, আজাদ, এরশাদ, পাকি, হাপি, বাবলু, সিপন, রশিদ, আক্কাস আলী, মানিক, সুমন, শাহাজান, ডলার, ফরহাদ, রানা, ছাত্রদলের নাসির, নাজমুল, জিল্লু, ইমরান, আলমগীর, টগর প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন থানা দপ্তর সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম।

দামুড়হুদা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দামুড়হুদায় বিএনপির পৃথক তিনটি গ্রুপ আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে। থানা বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী শাহ জাতীয় পতাকা ও সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. হায়দার আলী দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। দর্শনা পৌর বিএনপির সভাপতি হাজি খন্দকার শওকত আলী, জুড়ানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ, নতিপোতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান টুনু, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল হক, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, হাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহ মিন্টু, সহসভাপতি পিয়ার আলী, ওলামা দল সভাপতি ইউনুচ আলী মোল্লা, সোহরাব মেম্বার, নুর ইসলাম, শামসুল মেম্বার, দর্শনা পৌর যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল, হাসিবুল হক হাসু, হাফিজুর রহমান, আবু সাইদ মণ্ডল, বখতিয়ার খলজী বকুল, জেলা ছাত্রদলের সদস্য ফিরোজ হাসান মন্টু, ইমতিয়াজ হোসেন, মাসুদ রানা, পৌর ছাত্রদল নেতা সেলিম মেহফুজ মিল্টন, ছাত্রনেতা শাকিল, সাজু, কলেজ ছাত্রদল নেতা তানজির, জুবায়ের, সবুজ প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন থানা বিএনপির প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রিপন।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির (কেন্দ্রীয় যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক বাবু খান সমর্থিত গ্রুপ) যুগ্মসম্পাদক মোকারম হোসেন ও বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান তনুর নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের হয়। এর আগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নতিপোতা ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনিরের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করা হয়।

দর্শনা অফিস জানিয়েছে, জেলা বিএনপির একাংশের সহসভাপতি ইঞ্জি. মোখলেসুর রহমান তরফতার টিপুর নেতৃত্বে ৱ্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। দর্শনা রেলইয়ার্ড চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভার সভাপতিত্ব করেন দর্শনা পৌর বিএনপির একাংশের সভাপতি রহম আলী। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইঞ্জি. মোখলেসুর রহমান তরফদার টিপু। বিশেষ অতিথি ছিলেন- দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খাজা আবুল হাসনাত, যুগ্মসম্পাদক লিটন মিয়া, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, দর্শনা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল ইসলাম খোকন, ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী, বিএনপি নেতা ফজলুল হক, রফিকুল আলম, হান্নান মেম্বার, লুতফর রহমান, সাব্দার হোসেন, সোহাগ, সিরাজুল ইসলাম ফরাজি, আসাবুল ইসলাম, আজিজুল হক, মশিউর রহমান মিলন, আতিয়ার রহমান, আমিরুল ইসলাম, আশরাফুল হক, আব্দুল হাই, জিন্নাত, জব্বার, হানিফ, মাসুদ, পল্টু, সিদ্দিক, বাবলু, কুতুব, জান মোহাম্মদ, আ. গণি, নাফিজ, হেনা, হালীম, মশিয়ার, আলী কদর, আহম্মদ আলী, মুহিত, মতিয়ার, রশিদ, হাসান, যুবদলনেতা নাসির উদ্দিন খেদু, সোহেল তরফদার, কালাম, মঈন, সেলিম, খোকন, লিটন, আলম, তারেক, কালু, সানাউল্লাহ, আসাদ, সুমন, সাত্তার, আনোয়ার, পলাশ, ছাত্রদলনেতা সুমন, রুবেল, মনির, ফরিদ, তোতা, আমজাদ, রাজ, সুজন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আব্দুল মান্নান। এদিকে দামুড়হুদার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন এলাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

জীবননগর ব্যুরো জানিয়েছে, জীবননগরে চারটি গ্রুপের মধ্যে দুটি গ্রুপ পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেছে। উপজেলা বিএনপি বাবু খান গ্রুপ সকালে এ উপলক্ষে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে এবং দলীয় অফিসে দলের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটা হয়। উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি নোয়াব আলী গ্রুপ এ দিবস উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, মিলাদ-মাহফিল, কেক কাটা ও আলোচনভার আয়োজন করা হয়।

সকালে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে সভাপতি আক্তারুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খাঁন খোকনের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে এসে কেক কাটা হয়। আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি জাফর আলী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খাঁন খোকন, সাংগঠনিক আবুল কালাম আজাদ, উথলী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম, সীমান্ত ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি, আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান, জেলা যুবদলের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক দ্দোজা উদ্দিন, বিএনপির ওয়ার্ড নেতা ছানোয়ার হোসেন, তরিকুল ইসলাম তারা, কাউন্সিলর কাজি নাসির ইকবাল ঠাণ্ডু, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রশীদ, আবুল কাশেম, পৌর বিএনপি নেতা মোজাম উদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, মজিবর রহমান, মিলন শাহ, আবুল বাসার, রারেক, শফিউদ্দিন, আহাম্মদ আলী, যুবদল নেতা মাসুদ আরিফ, আব্দুল আলিম, মিনহাজ, আলফাজ, সালাম, লিটন, আজিমুল, শাহাজান, দীন ইসলাম, ইউনুছ আলী, ছাত্রদল নেতা সাইফুল, সুমন, তরিকুল, সারোয়ার, শাহাবুল, তুষার প্রমুখ।

উপজেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে বিকেলে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ে জন্মদিনের কেক কাটা হয় এবং মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। শেষে উপজেলা বিএনপির একাংশের সহসভাপতি হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির একাংশের সভাপতি পৌর মেয়র নোয়াব আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আক্তার রিনি, পৌর বিএনপি সভাপতি পৌর প্যানেল মেয়র মশিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বিএনপি নেতা আবু বকর সিদ্দিক, বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলর হযরত আলী, কাউন্সিলর শামসুজ্জামান হান্নু, বিএনপি নেতা মজনুর রহমান, বিশারত আলী, পৌর যুবদল সভাপতি আবুল হোসেন শিকদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন তোয়া, রকিবুল্ ইসলাম বাবু, ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম রয়েল, শরিফুল ইসলাম, আক্তার হোসেন, ইয়াদুল হোসেন, সাঈদ, ভূট্টু, শান্ত, সুজন। অনুষ্ঠান পরিচলানা করেন উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান শিপলু।

জীবননগর ব্যুরো আরও জানিয়েছে, জীবননগর উথলী মহাবিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল গতকাল রোববার বিকেলে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। উথলী ইউনিয়নে স্মরণকালে এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শিল্পপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চরম ধৈর্যশীলের পরিচয় দিয়ে চলেছেন। কিন্তু বর্তমান সরকারের একের পর এক কর্মকাণ্ডে তার ধৈর্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে। বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন জুলম চালিয়ে বাকশালী এ সরকার অতীতের সকল রেকড ভঙ্গ করেছে। বিরোধীদের দমাতে জনসভায় গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করে তা চাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সোজা আঙুলে ঘি ওঠেনি। দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে আঙুল বাঁকা করে এ সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে বাধ্য করা হবে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি এম জেনারেল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলী হোসেন, দামুড়হুদা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আব্দুল জব্বার সোনা, জীবননগর উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি জাফর আলী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়র হোসেন খাঁন খোকন, দর্শনা পৌর বিএনপি নেতা সাবু তরফদার, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি শাহজাহান আলী, উথলী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, উথলী ইউনিয়ন ছাত্রদল আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। জনসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উথলী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

মেহেরপুর অফিস জানিয়ছে, মেহেরপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ৱ্যালি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় অংশগ্রহণ ও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আলমগীর খান সাতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ও জেলা বিজেপির সভাপতি শেখ সাঈদ আহমেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এমএকে খায়রুল বাশার, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক মাস্টার, মুজিবনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি আব্দুর রব মাস্টার, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রোমানা আহমেদ রুমা, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিমুদ্দিন গাজী, জেলা ছাত্রদল নেতা আহমেদ রাজীব খান ও সোহেল হোসেন প্রমুখ। সভায় বক্তারা শহীদ জিয়ার স্বপ্ন স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে জোরদার করার আহ্বান জানান। আলোচনাসভা শেষে পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ৱ্যালি দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণে শেষ হয়।

এদিকে একই দিন সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির শাহাজীপাড়াস্থ কার্যালয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনছার-উল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক কালু, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোখলেছুর রহমান স্বপন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম বড় বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক প্রভাষক ফয়েজ মোহাম্মদ, সদর থানা যুবদলের সভাপতি হাসিবুজ্জামান স্বপন, পৌর যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি আনিছুজ্জামান লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তপন, জেলা তারেক পরিষদের সভাপতি রাশেকুল ইসলাম, সদর থানা তৃণমূলদলের সভাপতি ওমর ফারুক লিটন, তৃণমূল দলের জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান, যুবদল নেতা একরামুল হক একা, তৌফিক এলাহী, আব্দুর রাজ্জাক, ছাত্রদল নেতা কানন, রেজভী, সানি, সামাদ প্রমুখ।

গাংনী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বিএনপির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে গাংনী উপজেলা বিএনপি। গাংনী উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তেলনের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রেজাউল হক। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু, সহসভাপতি আব্দুল গনি বিশ্বাস, পৌর বিএনপি সভাপতি ইনসারুল হক ইন্সু, যুগ্ম সম্পাদক মকবুল হোসেন মেঘলা, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আখতারুজ্জামান, পৌর যুবদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ হীল মারুফ পলাশ, সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মাস্টার, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল হান্নান, সিনিয়র সহসভাপতি কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সুজন কবির ও ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দাল হক। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান জানান বক্তারা। কর্মসূচি পালনে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হলেও পুলিশি নিষেধাজ্ঞায় তা করতে পারেনি বিএনপি।

অপরদিকে জেলা বিএনপির সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন গ্রুপের উদ্যোগে গাংনী পৌর জিয়া পরিষদের আয়োজনে গতকাল সন্ধ্যায় গাংনী কার্যালয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর জিয়া পরিষদের সভাপতি আহসান হাবীব বাবু। বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো, উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক বামন্দী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল, পৌর জিয়া পরিষদ সাধারণ সম্পাদক ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহিদুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি গিয়াস উদ্দীন, পৌর বিএনপি সাবেক সভাপতি আবুল হাশেম ফুলচাঁদ, নারীনেত্রী নুরুন্নাহার, যুবদল নেতা জামাল উদ্দীন ও সোহরাব, বামন্দী ইউপি বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন-অর রশিদ বাচ্চু ও ছাত্রদল নেতা চপল বিশ্বাসসহ নেতৃবৃন্দ। জাভেদ মাসুদ মিল্টনের নেতৃত্বে কেন্দ্রঘোষিত সকল আন্দোলন কর্মসূচি পালনের বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।

হরিণাকুণ্ডু প্রতিনিধি জানিয়েছেন, হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসান মাস্টারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা বিএনপির সভাপতি মসিউর রহমান। সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্মসম্পাদক উপজেলা সেক্রেটারি অ্যাড. এমএ মজিদ চেয়ারম্যান, দলের হরিণাকুণ্ডু পৌর সভাপতি জিন্নাতুল হক খাঁন, সেক্রেটারি অনিসুর রহমান কাউন্সিলর, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সভাপতি কামাল আজাদ পান্নু, পৌর সভাপতি জাহিদুজ্জামান মনা, সেক্রেটারি এমএ মজিদ বিশ্বাস। এছাড়া সমাবেশে অনান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহসভাপতি ডা. আবুল কাসেম, রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক চেয়ারম্যান ও জমির উদ্দিন মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক তাইজাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সভাপতি প্রভাষক কামাল উদ্দিন, যুবদলের জেলা আহ্বায়ক কদর বিন মিরন, কৃষক দলের জেলা সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, কেসি কলেজের সাবেক ভিপি আবু বকর সিদ্দিক, ছাত্রনেতা আরিফুল ইসলাম, আব্দুস সামাদ, আমিরুল ইসলাম, বিপুল হোসেন, হাফিজ উদ্দিন, যুবনেতা হারুন অর রশিদ, মতিয়ার রহমান, আজিজুল হক, আব্দুল মমিন, কৃষকনেতা ডা. আব্দুল আলীম, নজির উদ্দিন প্রমুখ। প্রধান অতিথি মসিউর রহমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যতোই আবোল তাবোল বকেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচন দেশের জনগণ মেনে নেবে না।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ঝিনাইদহ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। সকাল ১১টার দিকে রং-বেরঙের পোস্টার, ব্যানার, প্লাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের ওয়াজির আলী হাইস্কুল মাঠ থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পোস্টঅফিস মোড়ে সমাবেশে মিলিত হয়। পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি মসিউর রহমান। বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, যুগ্মসম্পাদক অ্যাড. এমএ  মজিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপি নেতা মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, আআশরাফুল ইসলাম পিন্টু, মীর ফজলে ইলাহী শিমুল, আরিফুল ইসলাম আনন প্রমুখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মসিউর রহমান বলেন, এখন থেকে বিএনপি আর ঘরে বসে থাকবে না। যেখানেই বাধা আসবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। এদিকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা পরিষদ মাঠ চত্বরে এ উপলক্ষে গতকাল রোববার বিকেলে সমাবেশ হরিণাকুণ্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মসিউর রহমান ও অন্যান্যের মধ্যে হরিণাকণ্ডু উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এমএ মজিদ, জিন্নাতুল হক, মোজাম্মেল হক, আনিসুর রহমান, আবুল হাসান মাস্টার, জমির উদ্দীন মোল্লা প্রমুখ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *